জি-৭ নেতাদের সঙ্গে এক ভিডিও কনফারেন্স শেষে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে হরমুজ প্রণালীতে সৃষ্ট অচলাবস্থা রাশিয়ার ওপর আরোপিত তেল নিষেধাজ্ঞাকে শিথিল করার কোনো যৌক্তিক কারণ হতে পারে না।
ম্যাক্রোঁর মতে, ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি যেন ইউক্রেনের প্রতি বিশ্বনেতাদের মনোযোগ বা সমর্থনকে কোনোভাবেই বিঘ্নিত না করে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে পশ্চিমাবিশ্বের যে স্বচ্ছ অবস্থান রয়েছে, তা অপরিবর্তিত রাখা অত্যন্ত জরুরি।
ইউক্রেন আক্রমণের প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে বিশ্ববাজারে বিকল্প তেলের চাহিদা তৈরি হয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় সমুদ্রে আটকে থাকা রুশ তেল কেনার সুবিধার্থে ভারত সরকারকে ৩০ দিনের জন্য একটি বিশেষ ছাড় দেয় ওয়াশিংটন। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এই সিদ্ধান্তকে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার একটি ‘স্বল্পমেয়াদী কৌশল’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন।
প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ জি-৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়া অন্য নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচলের স্বাধীনতা যত দ্রুত সম্ভব পুনরুদ্ধার করা প্রয়োজন। এই লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি, যাতে এই সংকটের অজুহাতে রাশিয়ার ওপর থেকে বৈশ্বিক চাপ কমে না যায়।