August 17, 2026, 9:26 am
Title :
বক্তব্য ও বিতর্কে ছয় মাসে আলোচনায় যে সব মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী গণঅধিকার পরিষদ এখন গণধিকৃত পরিষদ: আমির হামজা সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা ও বাজার ব্যবস্থাপনা প্রতিশ্রুতির কতটা বাস্তবায়ন হলো, কী বলছেন বিরোধীদল ও বিশ্লেষকেরা তারেক রহমানের বিএনপি সরকারের প্রথম ছয়মাস কেমন কাটল? সরকারের ১৮০ দিন পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মতবিনিময় সভা আজ জনসম্মুখে ডিএফওকে ফোন মন্ত্রীর, রেঞ্জ কর্মকর্তাকে বদলির অনুরোধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কার্যকর তদন্ত চলছে: চিফ প্রসিকিউটর শিক্ষার্থী হেনস্থায় প্রভোস্টের পদত্যাগ ও সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবি ছাত্রকে অবরুদ্ধ করে ‘ভয়ভীতি প্রদর্শন’, প্রভোস্ট বললেন ‘নাস্তা করিয়েছি’

‘অতিরিক্ত টাকা’ ছাড়া হয় না জমি রেজিস্ট্রি

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, July 30, 2026
  • 17 Time View

জমির দলিল নিবন্ধনের জন্য সরকার যে নির্ধারিত ফি তালিকা করেছে, তা কাগজে থাকলেও মাঠে তা দিয়েই কাজ শেষ হয় না। নিয়মিত সরকারি খরচ—স্ট্যাম্প ডিউটি (জমির মূল্য의 ১.৫%), রেজিস্ট্রেশন ফি (১%), স্থানীয় সরকার কর (প্রায় ২–৩%), অ্যাপ্লিকেশন ও কোর্ট ফি, হলফনামা ও নকলসংক্রান্ত ন্যুন্যতম চার্জ ইত্যাদি থাকা সত্ত্বেও দলিল লেখক, নকলনবিশ ও অফিসের অনেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করেন। এই অতিরিক্ত অর্থ রসিদ ছাড়া নেওয়া হয় এবং অনেক ক্ষেত্রেই দাবীকৃত অর্থ অফিসের উচ্চতর কর্মকর্তাদেরও ভাগ হয়ে যায় বলে অভিযোগে উঠে। একই সঙ্গে নকল কপি নেওয়ার সরকারি ফি কিছুকেই ৬২০–৮২০ টাকা হলেও সেবাগ্রহীতারা হাজারের ওপর টাকা দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী অতিরিক্ত আদায় নানা খাতে ভাগ করা হয়—সাব-রেজিস্ট্রার, জেলা রেজিস্ট্রার ও রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মচারীদের জন্য পকেটে নগদ, পাশাপাশি দলিল লেখক সমিতির নামে মাসিক বা প্রতিদলিল ভিত্তিতে চাঁদা তোলা হয়। গ্রাহকদের অভিজ্ঞতায় দেখা যায় দলিলমূল্যের দশভাগের আশেপাশে অনুপাতে বা স্থায়ী রেট হিসেবে দশ থেকে বারো শতাংশ পর্যন্ত ফি দাবি করা হচ্ছে; এক নমুনা মামলা নিয়ে একজন ক্রেতা বলেন সরকারি খরচ প্রায় ৮০ হাজার হলেও দলিল লেখককে মোট এক লাখ টাকা দিয়েছেন এবং অতিরিক্ত ২০ হাজার নেয়া হয়েছে। তালিকাভুক্ত বিধি অনুযায়ী প্রত্যেক সনদপ্রাপ্ত দলিল লেখক যে ফি নেবে তার রশিদ দিতে হবে এবং অফিস বাইরের স্থানে সরকারি গেজেটভিত্তিক ফি তালিকা প্রদর্শন বাধ্যতামূলক—তবু এসব নিয়ম বহুলাংশে বাস্তবায়িত হচ্ছে না।

অভিযোগ ও জরিপে দুর্নীতির চিত্র স্পষ্ট—টিআইবি-সহ বিভিন্ন সমীক্ষা দেখাচ্ছে নিবন্ধন সেবায় ঘুষ বা অবৈধ লেনদেনের মান বাড়ছে। নিবন্ধন অধিদপ্তর ও আইন মন্ত্রণালয় বিষয়গুলো পুনর্বিবেচনা করছে, কিছু অফিসে ইতোমধ্যেই নিয়ম-কানুন কঠোর করার নির্দেশনা জারি হয়েছে এবং ডিজিটালাইজেশন ও তদারকির মাধ্যমে প্রক্রিয়া শুদ্ধ করার প্রস্তাব উঠেছে। তবু সমস্যা সমাধানে কার্যকর তদারকি, সনদের হিসাব-দপ্তর প্রকাশ ও দলিল লেখক সংখ্যা নিয়ন্ত্রণসহ আরও শক্তিশালী সংস্কারের প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com