July 2, 2026, 5:43 pm
Title :
ইউক্রেনের হামলায় জ্বালানি সংকট, ভারত থেকে পেট্রল আমদানি করছে রাশিয়া ‘জাতীয় কবি এ ভূখণ্ডে জন্ম না নিলেও তার হৃদয়জুড়ে ছিলো বাংলাদেশ’ পটুয়াখালীতে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ৭ম ব্যাচের শুভ উদ্বোধন মোমবাতির আলোয় গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ করল ছাত্রদল জুলাই অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি না থাকায় ক্ষোভ জামায়াতের টানলেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী শিবির নেতা হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভ ১১ দলের কর্মসূচি বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখতে হবে: গোলাম পরওয়ার ‘আলি খামেনিসহ ইরানিদের হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হবে’ কেইনের আগুনে পুড়ল কঙ্গোর স্বপ্ন

আমরা কারিকুলাম ও সিলেবাস চেঞ্জ করার ব্যবস্থা করছি: শিক্ষামন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, May 9, 2026
  • 27 Time View

নিউজ ডেস্ক:

শুধু জিপিএ-৫ কেন্দ্রিক প্রথাগত শিক্ষা নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে না, আমাদের নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ জন্যে আমরা কারিকুলাম ও সিলেবাস চেঞ্জ করার ব্যবস্থা করছি বলেও জানান তিনি।

শনিবার (৯ মে) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘চায়না-বাংলাদেশ এডুকেশন সহযোগিতা ফোরাম-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাসের উদ্যোগে এবং চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় সমিতির ব্যবস্থাপনায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের শিল্প এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় নেই। এই শূন্যতা দূর করতে হবে। আমাদের বিশাল জনশক্তিকে আমরা দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে চাই, যারা সরাসরি কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে।’

ড. মিলন বলেন, ‘আমরা গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতে এখনও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারিনি। তবে এটি অর্জনে যা যা প্রয়োজন, বর্তমান তারেক রহমানের সরকার সবই করবে। শিক্ষকদের উদ্দেশে আমার আহ্বান—শুধু বছর শেষে পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। প্রতিদিনের শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ও সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে।’

চীনে উচ্চশিক্ষার সুযোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘চীনের শিক্ষাব্যবস্থা উন্নত এবং খুব বেশি ব্যয়বহুল নয়। বর্তমানে প্রায় ১৬ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সেখানে সফলভাবে পড়াশোনা করছে।’

তিনি বলেন, বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমরা সরকার থেকে ‘তৃতীয় ভাষা’ শিক্ষা বাধ্যতামূলক করেছি। বিশেষ করে চীনা ভাষা শিখলে আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার ও উচ্চশিক্ষার বিশাল দুয়ার উন্মোচিত হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে সরকার ইতিমধ্যে পাঠ্যক্রম ও একাডেমিক ক্যালেন্ডারে পরিবর্তন আনছে। চীনের সঙ্গে শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন।

আরও বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেক; বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ; বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. বদরুজ্জামান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।

ফোরামে দু’দেশের শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং চীন ও বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com