২০২৫ সালে আলাস্কায় ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে আলোচিত বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ সমাপ্তির একটি আপসমূলক প্রস্তাব তৈরি হয়েছিল এবং ট্রাম্প পরে বলেছিলেন প্রায় সব বিষয়েই সমাধান হয়েছে ও শান্তির ভিত্তি গড়ে উঠেছে। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সম্প্রতি বলেছেন সেই প্রস্তাবগুলো ব্যর্থ রূপ নিয়েছে, যা নিয়ে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই ল্যাভরভ পাল্টা Stellung জানিয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের পরিবর্তন নির্দেশ করছেন। ল্যাভরভ প্রশ্ন ছুঁড়ে বলেছেন, ‘আলাস্কা চুক্তি ব্যর্থ হয়েছে’ বলার আগে দেখতে হবে আসলে কে ব্যর্থ হয়েছে, এবং তার মতে রাশিয়ার নীতি হলো যা বলা হবে, তাই করা হবে।
ল্যাভরভ আরও জানান যে প্রস্তাবগুলো ছিল এবং রাশিয়া সেগুলোকে আপস হিসেবে গ্রহণ করেছিল, কিন্তু কিয়েভ ওই প্রস্তাবগুলো অবজ্ঞা করেছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সামরিক সহায়তা—বড় পরিমাণ ড্রোন ও অন্যান্য অস্ত্র—কেন ঘটনাগুলো এমন দাঁড়িয়েছে তার প্রধান কারণ হিসেবে দেখান এবং দাবি করেন এসব সরঞ্জাম বেসামরিকদের ওপর হামলা ও রাশিয়ার স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করতে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্র কেবল অস্ত্রই নয় গোয়েন্দা তথ্য, স্টারলিংক যোগাযোগ ব্যবস্থা ও উন্নত সামরিক প্রযুক্তিও ইউক্রেনে দিচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ল্যাভরভ বলেন যুক্তরাষ্ট্র জেলেনস্কিকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি; প্রয়োজনে সেই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতো এবং রাজনৈতিক আলোচনাও পুনরায় শুরু করা যেত। তিনি জানিয়েছেন রাশিয়া এখনও রাজনৈতিক ও কূটনীতিক সমাধান চায়, কিন্তু একই সঙ্গে সতর্ক করে দিয়েছেন যে আলাস্কা চুক্তি যদি আমেরিকা কিংবা ইউরোপের তরফ থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়, তবু রাশিয়া তাদের লক্ষ্য ছাড়বে না এবং ২০২৪ সালের জুনে প্রেসিডেন্ট পুতিন নির্ধারিত লক্ষ্য পূরণ করা হবে। (উৎস: Jagonews24, কেএম)