কলকাতায় চিকিৎসা নিতে আসা বাংলাদেশি রোগী এবং তাদের স্বজনেরা বর্তমানে চরম আবাসন সংকটের মুখে পড়েছেন। মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ হোটেলে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডের পর শহরজুড়ে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে কড়াকড়ি শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এরই অংশ হিসেবে প্রায় আট শতাধিক আবাসিক হোটেল ও গেস্ট হাউস বন্ধ করে দেওয়ায় হাসপাতালের কাছাকাছি কোনো থাকার জায়গা খুঁজে পাচ্ছেন না রোগীরা।
বিশেষ করে ঠাকুরপুকুর ক্যানসার রিসার্চ সেন্টার ও নিউ মার্কেট এলাকার হোটেলগুলো বন্ধ থাকায় রোগীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। কেমোথেরাপি নেওয়া ক্যানসার রোগীদের জন্য বিশ্রামের পরিবেশ অপরিহার্য হলেও, হোটেল না পাওয়ায় অনেককে হাসপাতালের বাইরে রাস্তায় বা খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে হচ্ছে। অতিরিক্ত ভাড়ার পাশাপাশি আবাসন সংকটের কারণে অনেক রোগীই এখন চিকিৎসা মাঝপথে রেখে দেশে ফেরার মতো অসহায় পরিস্থিতির শিকার হচ্ছেন।
ভুক্তভোগী রোগী ও তাদের স্বজনদের দাবি, প্রশাসন যেন মানবিক দিক বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত বিকল্প থাকার ব্যবস্থা করে। কেবল বাংলাদেশিরাই নন, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা স্থানীয় রোগীরাও একই সমস্যায় পড়েছেন। তারা হোটেলগুলো বন্ধ করার আগে বিকল্প আবাসন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন, যাতে অসুস্থ অবস্থায় রোগীরা মানবেতর জীবনযাপন থেকে রক্ষা পান।