August 17, 2026, 10:12 am
Title :
প্রতি রাতে ৩০-৪০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করতে বললেন ইসরায়েলি মন্ত্রী প্রতি রাতে ৩০-৪০ ফিলিস্তিনিকে হত্যার উসকানি ইসরায়েলি মন্ত্রীর ইতিবাচক রাজনীতি অব্যাহত থাকুক বক্তব্য ও বিতর্কে ছয় মাসে আলোচনায় যে সব মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী গণঅধিকার পরিষদ এখন গণধিকৃত পরিষদ: আমির হামজা সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা ও বাজার ব্যবস্থাপনা প্রতিশ্রুতির কতটা বাস্তবায়ন হলো, কী বলছেন বিরোধীদল ও বিশ্লেষকেরা তারেক রহমানের বিএনপি সরকারের প্রথম ছয়মাস কেমন কাটল? সরকারের ১৮০ দিন পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মতবিনিময় সভা আজ জনসম্মুখে ডিএফওকে ফোন মন্ত্রীর, রেঞ্জ কর্মকর্তাকে বদলির অনুরোধ

কৃষকের ‘কপাল পুড়িয়ে’ ভেকু দিয়ে খাল খনন

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, July 30, 2026
  • 11 Time View

ঝিনাইদাহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় অতিদরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)ভিত্তিক দুইটি খাল খননে বড় পরিমাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। টেন্ডারে অদক্ষ শ্রমিক নিয়োগ করা হবে বলে থাকলেও প্রকল্প বাস্তবায়নে শ্রমিকদের বদলে এক্সকাভেটর ব্যবহার করা হয়েছে, আবার ভুয়া শ্রমিকদের তালিকা তৈরি করে প্রকল্পের টাকা তোলা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান। অনুমোদিত খালকর্মের স্থলে অনুমতি না নিয়ে অন্য খাল খননেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুই প্রকল্পের মোট বরাদ্দ ছিল এক কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

তদন্তে উঠে এসেছে যে, জোড়াদহ জটার খালে ২৯৩ জন অদক্ষ শ্রমিককে ৪৩ দিন কাজ করানোর শর্ত থাকলেও সরাসরি ভারী যন্ত্রপাতি চালিয়ে কাজ করা হয়েছে এবং ভায়না ইউনিয়নের কেসমত ঘোড়াগাছা (কাটাখাল) অংশেও ৭৮ জনের বদলে এক্সকাভেটর ব্যবহার করা হয়েছে। আরও অভিযোগ, অনুমোদিত ১-ডি-১১-এন খালের বদলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংরক্ষিত জিকে সেচ প্রকল্পের শিতলী ও পায়রাডাঙ্গা এলাকায় প্রায় ১.৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের টার্শিয়ারি সেচ খাল অননুমোদিতভাবে খনন করা হয়েছে এবং খালপাড়ের বহু পুরোনো ফলদ ও বনজ গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জন কুমার দাস বলেন, সংরক্ষিত সেচ খালকে কেবল নির্ধারিত নকশা অনুযায়ীই পুনরায় আকৃতি দেওয়া যায়; স্থানীয় দফতর কোনো কারিগরি নকশা জিজ্ঞাসা করেনি, ফলে ভবিষ্যতে সেচ প্রবাহে বড় সমস্যা দেখা দেবে।

স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, খালের তলদেশ অনেক জায়গায় আবাদি জমির চেয়ে অতিরিক্ত গভীর হওয়ায় জমিতে পানি পৌঁছানো কঠিন হবে, বরং জমির পানি খালে নেমে গিয়ে কৃষকের সেচ ব্যয় বাড়বে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আজিজুর রহমান দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন কাজের ভুল হলে সংশোধন চেয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে এবং তিনি জানালেন শ্রমিক নিয়োগ নিয়ম অনুসরণ করে করা হয়েছিল। একই সময়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রদীপ্ত রায় দীপন বলেন, দুই খালে অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত শুরু করা হয়েছে; প্রাথমিকভাবে অদক্ষ শ্রমিক নিয়োগ ও মজুরি প্রদানে অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে এবং জেলা প্রশাসকের কাছে প্রতিবেদন পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে; জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন বলছেন তদন্তে অনিয়ম প্রমাণিত হলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com