রোববার (২৬ জুলাই) রাত পৌনে ৯টার দিকে রাজবাড়ীর খানখানাপুর লেভেল ক্রসিংয়ে তেলবাহী একটি মালবাহী ট্রেনের বিচ্ছিন্ন কয়েকটি বগি সড়ক পারাপাররত একটি যাত্রীবাহী বাস, এক মাহেন্দ্রা বা ছোট ট্রাক ও একটি অটোরিকশাকে ধাক্কা দিলে দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই বা হাসপাতালে নিলে দুজন নিহত হয়েছেন এবং কমপক্ষে ছয়জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে; পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মনোয়ার পাটোয়ারী ও চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুল মালেক মারা যান।
প্রাথমিক খবর অনুযায়ী, ফরিদপুরের ধুলদী পাওয়ার প্লান্ট থেকে খুলনার উদ্দেশ্যে যাওয়া ওই মালবাহী ট্রেনটির মোট ২৬টি বগি ছিল। চলার সময় ২১ ও ২২ নম্বরের দিকে কিছু বগি মূল ট্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং খানখানাপুর ক্রসিংয়ে এসে সড়কযানগুলোকে ধাক্কা দেয়; মাহেন্দ্রাটি প্রায় একশো গজ পিছনে টেনে নেওয়া হয়, অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং বাসটিও রেললাইনে ঠেলে নিয়ে যাওয়া হয়। আহতদের উদ্ধার করতে স্থানীয় হাইওয়ে থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকাজ করে।
রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উত্তম কুমার ঘোষ ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। রাজবাড়ী রেলওয়ের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, ট্রেনের কোন স্থানে বিচ্ছিন্নতা ঘটেছে তা স্পষ্ট নয়; সঙ্গে একটি তদন্তকমিটি গঠন করে ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হবে। দুর্ঘটনার ফলে এক সময় মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়; পরে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাস সরিয়ে রাস্তা পুনরায় খোলা হয়।