October 1, 2026, 11:59 am
Title :
ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পরও কূটনীতির পক্ষে ইরান প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে রাজনৈতিক আনুগত্য নয়, মেধাকে গুরুত্ব দিন: ডা. শফিকুর রহমান যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী জাতিসঙ্ঘ সফর শেষে নিউইয়র্ক থেকে দুবাই পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর হাফেজদের ‘নেক্সাস’ উপহার! নেপথ্যে কারা? পটুয়াখালীতে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের অষ্টম ব্যাচের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত দর্জি থেকে ফ্রিল্যান্সার, প্রশিক্ষণ থেকে উদ্যোক্তা—তরুণদের সাফল্যের অনুপ্রেরণাদায়ী গল্প প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে ব্যুরো বাংলাদেশের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, বেতন ৯০ হাজার টাকা শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় গ্রেফতার আসামিরা ট্রাইব্যুনালে

শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আর আপিলের সুযোগ নেই

Reporter Name
  • Update Time : Monday, September 7, 2026
  • 43 Time View

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যেসব আসামি নির্ধারিত ত্রিশ দিনের সময়সীমার মধ্যে উচ্চ আদালতে আপিল করেননি, তাদের সামনে আইনি লড়াইয়ের আর কোনো সুযোগ খোলা নেই। সম্প্রতি আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই আইনি ব্যাখ্যা তুলে ধরেন, যা দেশের বিচারিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, দেশের প্রচলিত ও প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী রায় ঘোষণার পরবর্তী এক মাসের মধ্যে আপিল করার বিধান রয়েছে এবং এই নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলে পরবর্তীতে আপিল করার আর কোনো আইনি অবকাশ থাকে না।

গত সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর বারোটায় অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আইনি অবস্থান নিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। গুম ও মানবাধিকার সংক্রান্ত আইন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার একপর্যায়ে চিফ প্রসিকিউটর এই প্রসঙ্গটি সামনে নিয়ে আসেন, যেখানে ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রম এবং সময়সীমা সংক্রান্ত বিধানগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তুলে ধরা হয়। সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ায় দণ্ডপ্রাপ্তদের আইনি প্রতিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সংকুচিত হয়ে এসেছে বলে মনে করছেন আইনি বিশ্লেষকরা।

সংবাদ সম্মেলনে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম আরও স্পষ্ট করেন যে, নতুন প্রণীত গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো ধরনের অসংগতি বা বিরোধ তৈরি হবে না। দুটি আইনের কার্যপরিধি ও উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ আলাদা হওয়ায় তাদের মধ্যে কোনো সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা নেই বলে তিনি দৃঢ় মত প্রকাশ করেন। সরকারের গৃহীত এই আইনি পদক্ষেপগুলো দেশের বিচার ব্যবস্থাকে আরও সুদৃঢ় ও স্বচ্ছ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এছাড়া, গুম সংক্রান্ত যেসব অভিযোগ এবং প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনাল ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা পড়েছে, সেগুলোর প্রতিটি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর। তথ্য-উপাত্ত নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করার পরই এসব অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে তিনি সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেন। সামগ্রিক এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হওয়ার মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা আরও সহজতর হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com