July 1, 2026, 7:08 pm
Title :
সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে হত্যার হুমকি, ‘পোষ্যদের’ শিক্ষা দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদ বাংলাদেশ সমর্থন করে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আমরা বলেছি সরকারি সুবিধা না নেওয়ার চেষ্টা করবো, তবে কেউ নিলে অপরাধ নয়:জামায়াত আমির রেজাল্ট খারাপ করলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতাও চেক করতে পারবে: শিক্ষামন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ৫০০ কেজি আম উপহার পাঠালো বাংলাদেশ জামায়াতের ছায়া বাজেট আর পাস হওয়া বাজেট কাছাকাছিই: শফিকুর রহমান ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদীপারের মানুষের ছাত্রদলের ১৭ বছরের আন্দোলনের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে জুলাই অভ্যুত্থানে: রিজভী বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা স্বাধীনতার বিরোধিতার দায়ে বিএনপির ক্ষমা চাওয়া উচিত: গোলাম পরওয়ার

সংসদীয় ক্যু করে আমাকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল: কর্নেল অলি

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, May 30, 2026
  • 34 Time View

ডেস্ক রিপোর্ট:
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (বীর বিক্রম) বলেছেন, সংসদীয় ক্যু করে আমাকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল কিন্তু আমি রাজি হয়নি।

পাবলিক ইনভেস্টিগেশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

কর্নেল অলি আহমদ বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের ১৪৩ এমপি, বিএনপির ৪০ জন মিলে মোট ১৮৩ জন একটি সংসদীয় ক্যু করতে চেয়েছিল। তারা আমাকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। আমি প্রথম দুই দিন রাজি হয়েছিলাম কিন্তু তৃতীয় দিনে আর রাজি হয়নি। সেই দিন আমি বলেছিলাম, এমন বেইমানি, মুনাফেকি আমি বেগম জিয়ার সাথে করতে পারবো না।

কর্নেল অলি আহমদ ৬ বার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। ৩ বার মন্ত্রী হয়েছেন। তিনি বলেন, সেই সময় ঐ এমপিরা সংসদে একটি বিল আনতে চেয়েছিল। সেই বিলের মাধ্যমে মূলত ক্যু করতে চেয়েছিল।

এলডিপির চেয়ারম্যান বলেন, জিয়াউর রহমান আমাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বানাতে চেয়েছিলেন। তিনি বলে ছিলেন, নির্বাচন করে ক্ষমতায় আসলে আমাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বানাবেন। কিন্তু অনেক মন্ত্রী তার কান ভারী করেছিলেন তাই আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীকে তার এমপিদের সামাল দেওয়ার অনুরোধ করবো। তিনি যদি সামাল দিতে না পারেন তাহলে প্রধানমন্ত্রীই বিপদে পড়বেন। এমপিদের কাজ হচ্ছে আইন প্রণয়ন করা। কিন্তু এখন এমপিদের সাথে ডিসি-এসপিদের থাকতে হয়। রাজনৈতিক মিটিংয়ে তাদেরকে রাখা কোনোভাবেই ঠিক না। প্রশাসনকে সব সময়ই এমপিদের কাছ থেকে দূরে রাখতে হবে। তাহলেই মানুষ ন্যায় বিচার পাবে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে একাধিক সোর্স আছে। সেইগুলোকে কাজে লাগিয়ে তার রিপোর্ট নেওয়া উচিত। স্বশিক্ষিত লোকেরা এলাকায় কী ধরনের অত্যাচার করছেন। কী ধরনের চাঁদাবাজি করছে। এটাতো প্রধানমন্ত্রীরই দায়িত্ব। তারই এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। এ ধরনের ৫-১০টা এমপিকে জেলে দিলে বিএনপির কোনো ক্ষতি হবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com