October 1, 2026, 10:34 am
Title :
ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পরও কূটনীতির পক্ষে ইরান প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে রাজনৈতিক আনুগত্য নয়, মেধাকে গুরুত্ব দিন: ডা. শফিকুর রহমান যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী জাতিসঙ্ঘ সফর শেষে নিউইয়র্ক থেকে দুবাই পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর হাফেজদের ‘নেক্সাস’ উপহার! নেপথ্যে কারা? পটুয়াখালীতে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের অষ্টম ব্যাচের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত দর্জি থেকে ফ্রিল্যান্সার, প্রশিক্ষণ থেকে উদ্যোক্তা—তরুণদের সাফল্যের অনুপ্রেরণাদায়ী গল্প প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে ব্যুরো বাংলাদেশের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, বেতন ৯০ হাজার টাকা শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় গ্রেফতার আসামিরা ট্রাইব্যুনালে

সাতক্ষীরায় এক বিদ্যালয়ে ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিয়ে!

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, September 10, 2026
  • 59 Time View

যে বয়সে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা এবং বই-খাতা হাতে শিক্ষাজীবন চালিয়ে যাওয়ার কথা, সেই বয়সেই সাতক্ষীরার তালা উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের ১৩ জন ছাত্রীর বাল্যবিয়ে হয়ে গেছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসার পর থেকেই স্থানীয় সচেতন মহলে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যালয়টির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকদের ভূমিকা নিয়ে ইতোমধ্যে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৩ জন ছাত্রীকে জোরপূর্বক বা পরিস্থিতির শিকার বানিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসানো হয়েছে। আইনগতভাবে বাল্যবিয়ে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ হওয়া সত্ত্বেও সমাজে এর প্রচলন এখনও পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনার ফলে ওই কিশোরী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন চিরতরে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা তাদের সোনালী ভবিষ্যৎকে অন্ধকার ঠেলে দিচ্ছে।

শিশু বয়সে বৈবাহিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার কারণে এসব ছাত্রীর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সাধারণত কম বয়সে বিয়ে হলে প্রজনন স্বাস্থ্যজনিত জটিলতা এবং পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। এছাড়া, দেশের প্রচলিত আইন কঠোর হওয়া সত্ত্বেও কীভাবে এতগুলো বাল্যবিয়ে গোপনে সম্পন্ন হলো, তা নিয়ে প্রশাসনের নজরদারি ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সম্মিলিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি বলে মত প্রকাশ করেছেন সমাজকর্মীরা। সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাল্যবিয়ের সঙ্গে সরাসরি জড়িত অভিভাবক এবং কাজীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। ভবিষ্যতে যাতে কোনো শিক্ষার্থীকে অকালে ঝরে পড়তে না হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট মহলকে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com