August 17, 2026, 9:27 am
Title :
বক্তব্য ও বিতর্কে ছয় মাসে আলোচনায় যে সব মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী গণঅধিকার পরিষদ এখন গণধিকৃত পরিষদ: আমির হামজা সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা ও বাজার ব্যবস্থাপনা প্রতিশ্রুতির কতটা বাস্তবায়ন হলো, কী বলছেন বিরোধীদল ও বিশ্লেষকেরা তারেক রহমানের বিএনপি সরকারের প্রথম ছয়মাস কেমন কাটল? সরকারের ১৮০ দিন পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মতবিনিময় সভা আজ জনসম্মুখে ডিএফওকে ফোন মন্ত্রীর, রেঞ্জ কর্মকর্তাকে বদলির অনুরোধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কার্যকর তদন্ত চলছে: চিফ প্রসিকিউটর শিক্ষার্থী হেনস্থায় প্রভোস্টের পদত্যাগ ও সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবি ছাত্রকে অবরুদ্ধ করে ‘ভয়ভীতি প্রদর্শন’, প্রভোস্ট বললেন ‘নাস্তা করিয়েছি’

১৩৪ কোটি টাকার গবেষণা প্রকল্পে ২২ উটপাখির ১৫টিই জবাই!

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, July 30, 2026
  • 23 Time View

বাণিজ্যিকভাবে উটপাখি পালন ও গরু-খাসির বিকল্প মাংস হিসেবে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে প্রায় ১৩৪ কোটি টাকার বিএলআরআই’র একটি প্রকল্পে ২০২০ সালে আফ্রিকা থেকে দুই দফায় মোট ২২টি উটপাখি আনা হয়। প্রকল্পটি ২০১৯-২০ অর্থবছরে শুরু হয় এবং এটি পরিচালনা করেন বিএলআরআইয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সাজেদুল করিম সরকার। সূত্রে বলা হয়, ২২টির মধ্যে ১৫টি পাখি গবেষণার কাজে জবাই করা হয়েছে, আরও তিনটি মারা গেছে এবং বর্তমানে কেবল চারটি প্রাণী বেঁচে আছে; সংরক্ষিত শেডে নিয়মিত পর্যবেক্ষণে সাধারণত দুইটির বেশি উটপাখি দেখা যায় না।

বিএলআরআই জানিয়েছে, মাংসের গুণগত মান এবং স্বাদ যাচাইয়ের জন্য ধাপে ধাপে ১৫টি জবাই করা হয়েছিল। তবে প্রকল্প সমাপ্তির পরে এতটুকু ফলাফল চোখে পড়েনি বলে সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যায় অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান বলছেন, উটপাখি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক প্রজাতি নয়, তাই এখানে তাদের সফল অভিযোজন সহজ নয় এবং যদি মাংস পরীক্ষাই গবেষণার উদ্দেশ্য থাকে তাহলে এত সংখ্যক প্রাণী জবাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ব্যাপকভাবে ভাবা উচিত ছিল। প্রকল্পের অধীনে পিএইচডি করা খন্দকার তৌহিদুল ইসলাম মেনে নিচ্ছেন যে গবেষণায় ব্যর্থতা সম্ভব, তিনি বলছেন একবারে সফলতা আসা স্বাভাবিক নয় এবং মাংসের স্বাদ পরীক্ষা করার প্রয়োজনীয়তা থাকতে পারে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে; দাবি করা হচ্ছে প্রকল্পে প্রতিবেদকতা, নিয়োগ ও ফেলোশিপ বণ্টনে প্রকল্প পরিচালক তাঁর স্ত্রীসহ নিকটাত্মীয়দের বিভিন্নভাবে সম্পৃক্ত করেছেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে সাজেদুল করিম সরকারের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তিনি যোগাযোগ করেননি। বিএলআরআইয়ের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক জানান, প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল উটপাখির অভিযোজন, খাদ্যাভ্যাস ও মাংসের গুণমান যাচাই করা, তাই কিছু পাখি জবাই করা হয়েছিল, তবে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রকল্প পরিচালকই দিতে পারবেন। পুরোনো অভিযোগের মধ্যে ২০২৩ সালে ৩৮টি মোরগ জবাই করে খাওয়ার ঘটনা এবং সৈয়দপুরে ১,২০০টি কোয়েল পাখির মৃত্যু সংক্রান্ত তথ্য গোপন রাখার অভিযোগও রয়েছে; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানিয়েছেন এসব অনিয়ম নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com