তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভার ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার প্রাক্কালে এর রদবদল নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বর্তমানে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের কাজের স্বচ্ছতা, দক্ষতা এবং সীমাবদ্ধতা মূল্যায়ন করছে। আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা না এলেও, সরকারের কাজের গতি বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে এই পর্যালোচনাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, কিছু মন্ত্রণালয়ের কাজের ধীরগতি এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতার কারণে মন্ত্রিসভার গঠনে পরিবর্তন আসতে পারে।
পর্যালোচনার ভিত্তিতে অন্তত সাত-আটটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। কয়েকজন প্রতিমন্ত্রীকে পূর্ণমন্ত্রীর পদে পদোন্নতি দেওয়া এবং নতুন মুখদের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টিও আলোচনার টেবিলে রয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার অর্থই রদবদল হতে হবে এমন নয়; বরং দায়িত্বের পুনর্বিন্যাস বা মন্ত্রণালয়ের কাজের গতি নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য।
এদিকে মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য নতুন মুখ নিয়ে বিএনপির বিভিন্ন নেতা এবং যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নাম শোনা যাচ্ছে। এর মধ্যে আন্দালিব রহমান পার্থসহ বেশ কয়েকজন নেতার নাম গণমাধ্যমে বারবার উঠে আসছে। যদিও সরকার বা দলগুলোর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত বার্তা দেওয়া হয়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ১৭ আগস্ট সরকারের ছয় মাস পূর্তির পর কাজের মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশের পরই মন্ত্রিসভার ভবিষ্যৎ বিন্যাস সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।