৪৪তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ২৭ জন প্রার্থীকে নন-ক্যাডার পদে কেন নিয়োগ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ মঙ্গলবার এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আবেদনকারীদের ভাষ্যমতে, পিএসসির অনলাইন সিস্টেমের নির্দেশনা অনুযায়ী যোগ্যতার ভিত্তিতে তারা ইন্সট্রাক্টর (বাংলা ও ইংরেজি) পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে কোনো প্রকার কারণ দর্শানোর নোটিশ বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই বিএড ডিগ্রি না থাকার অজুহাতে তাদের সুপারিশ বাতিল করা হয়। অথচ একই ধরনের পরিস্থিতিতে থাকা অন্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে পিএসসি ভিন্ন নীতি অনুসরণ করেছে, যা বৈষম্যমূলক ও অন্যায্য বলে দাবি করা হয়েছে।
রিটকারী আইনজীবীদের দাবি, সরকারি কর্ম কমিশনের নিজস্ব পদ্ধতিগত ত্রুটির দায়ভার প্রার্থীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে, অবিলম্বে তাদের যোগ্যতা ও পছন্দক্রম অনুযায়ী ৯ম থেকে ১১তম গ্রেডের নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ প্রদানের নির্দেশনা চেয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।