নিউইয়র্কবাসীর কথা শুনতে চেয়েছিলেন জোহরান মামদানি। তাই ‘দ্য মেয়র ইজ লিসেনিং’ নামের একটি বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে এক পাকিস্তানি নারীর কথায় কেঁদে ফেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রাজ্যটির প্রথম মুসলিম মেয়র। তা নিয়ে প্রশংসায়ও ভাসছেন।
লাহোর থেকে আসা সামিনা নামের ওই নারী বৈঠকে মেয়রের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উর্দু ও ইংরেজি—দুই ভাষায় সামিনা নিউইয়র্ক শহরে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য মামদানির ভূমিকার প্রশংসা করেন। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ওই নারী তার মানবিকতা ও নেতৃত্বের প্রশংসা করলে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন মামদানি।
ইউটিউবে প্রকাশ হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, স্টুডিওতে প্রবেশের পর সামিনা আগে থেকেই প্রস্তুত করা নোট পড়ে শোনান। ইংরেজিতে দক্ষ না হওয়ার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। এরপর মামদানিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘আপনার সহমর্মিতা নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্য। মানুষে মানুষে বিভাজনের এই সময়ে মানুষের হৃদয়ে কোমলতা ফিরিয়ে আনার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।’
সামিনার কথা শুনে উর্দু ভাষায় মামদানি জবাব দেন। সামিনা যে লাহোরের বাসিন্দা—তা জানতে পেরে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। মামদানি বলেন, ‘আমি একবার লাহোর গিয়েছিলাম—এটা খুবই সুন্দর শহর।’ এসময় তিনি কেঁদে ফেলেন। চোখ মুছে সামিনাকে বিদায় জানান।
ভিডিওতে দেখা যায় এরপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেন মামদানি। নিজেকে ধাতস্ত করতে কিছু সময় বসে থাকেন। এসময় কয়েকবার চোখ মুছতে দেখা যায় তাকে। বিরতির পর মেয়র মামদানি তার নির্ধারিত অন্যান্য নাগরিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ চালিয়ে যান।