August 17, 2026, 1:19 pm
Title :
শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু-ফারজানাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া ই-রিকশা চার্জে জরিমানা, নিবন্ধন-নবায়ন হবে না স্থানীয় নির্বাচনে ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: মীর শাহে আলম ছয় মাসে খুব একটা সন্তুষ্ট নই, কাজ দৃশ্যমান হতে সময় লাগবে চলতি অর্থবছরেই পাঁচ স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ হবে: মীর শাহে আলম রাষ্ট্র সংস্কারের কতটা বাস্তবায়ন হলো মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চাওয়া আবুল কালামের আপিল গ্রহণের শুনানি ৩১ আগস্ট ১৮০ দিনে কতটা এগোল বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি, ঝুলে আছে কত জনগণের অর্থ লোপাট যেন বন্ধ করা যায় সর্বাত্মক চেষ্টা করছি রাজনীতির জমিদারি প্রথা ভেঙ্গে নিরাপদ ক্যাম্পাস চাই।

স্পেনের সামনে প্রাচীর তুলে দাঁড়ানো কে এই ভোজিনহা

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, June 16, 2026
  • 68 Time View

একটা ম্যাচ জয়ের জন্য যা যা করা দরকার, তার প্রায় সব চেষ্টাই করেছে স্পেন। ম্যাচের তিন চতুর্থাংশ সময় বলের দখল নিজেদের পায়ে রাখা স্প্যানিশরা পাসের পর পাস খেলেছে, প্রতিপক্ষের রক্ষণে আক্রণের ঢেউ তুলেছে। সুযোগ বুঝে শটও নিয়েছে ২৭টি। কিন্তু এরপরও গোল আদায় করতে পারেনি লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। তাতে যা হওয়ার তাই হয়েছে। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ‘দুর্বল’ কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র-তেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে ২০১০ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নদের।

স্পেনকে হতাশার ড্র উপহার দিতে সবচেয়ে বড় অবদান কেপ ভার্দে গোলকিপার ভোজিনহার। ম্যাচজুড়ে ৪০ বছর বয়সী এ গোলকিপার এতটাই দুর্দান্ত ছিলেন যে, তাঁকে ভেদ করার কোনো উপায় খুজেঁ বের করতে পারেননি পেদ্রি-তোরেস-ইয়ামালরা।

দক্ষ হাতে একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করেছেন। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে স্পেনকে আটকে দিয়ে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারটাও বাগিয়ে নিয়েছেন ভোজিনহা। সেখানেই শেষ নয়, বিশ্বজুড়ে ফুটবল প্রেমিদেরও মনোযোগ কেড়ে নিয়েছেন তিনি। তাঁকে নিয়ে ইতোমধ্যে ইন্টারনেটে ঝড় উঠেছে।

তবে মজার বিষয় হলো, কেপ ভার্দে গোলকিপারের নামটা আসলে ‘ভোজিনহা’ নয়। ৪০ বছর বয়সী এ গোলকিপারের প্রকৃত নাম জোসিমার জোসে এভোরা দিয়াস। ‘ভোজিনহা’ মূলত তাঁর ডাক নাম। আর সেই নামটা দিয়েছেন তাঁর দাদা-দাদি।

কেপ ভার্দের সাঁও ভিসেন্তে দ্বীপে বেড়ে ওঠার সময় শৈশবেই এই ডাকনামের শুরুটা হয় তাঁর। ইংরেজিতে ভোজিনহার অর্থ কণ্ঠস্বর। আক্ষরিক অর্থেই স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচে কেপ ভার্দের কণ্ঠস্বর হয়ে লড়ে গেছেন পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাবে খেলা এ গোলকিপার।

শৈশবে যেটি ছিল ডাকনাম, কালের বিবর্তনে সেই ভোজিনহা নামেই বিশ্ববাসীর কাছে পরিচিত হলেন। কীভাবে এই ডাকনামটি তাঁর সঙ্গে জড়িয়ে গেল? ফিফাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভোজিনহা বলেছেন, ‘এই ডাকনামটি আমার দাদা-দাদির কারণে হয়েছে। আমি কখনোই বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকিনি। যখন আমার জন্ম হয়, তখন আমার বাবা সামরিক বাহিনীতে কর্মরত। জীবন চালাতে আমার মাকেও কঠোর পরিশ্রম করতে হতো। সে কারণে আমার বেড়ে ওঠা দাদা-দাদির কাছেই।’

পেশাদার ফুটবলে নাম লেখানোর পর নিজ দেশ ছেড়ে প্রথম নাম লেখান অ্যাঙ্গোলার ক্লাব প্রোগ্রেসোতে। সেখানে গিয়েও দাদা-দাদির দেওয়া নামেই নিজেকে পরিচিত করে তোলেন তিনি, ‘কেপ ভার্দেতে কেউ আমাকে আমার আসল নামে চিনত না। তবে শুরুতে এই ডাকনামটা আমার মোটেও পছন্দ ছিল না, আমি প্রায় পাগল হয়ে গিয়েছিলাম। অ্যাঙ্গোলায় গিয়ে দেখি, সেখানে আরেকজন গোলরক্ষকের নামও জোসিমার। তখন আমি বলেছিলাম, জার্সিতে ‘জোসিমার-২’ লিখব না। কেপ ভার্দেতে সবাই যদি আমাকে ভোজিনহা নামে চিনে থাকে, তাহলে আমি ভোজিনহা হয়েই থাকব।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com