যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, বাংলাদেশে জোরপূর্বক শ্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে কার্যকর করা হচ্ছে না—এই অভিযোগকে ভিত্তি করে বাংলাদেশ থেকে আমদানির ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করেছে। এর ফলে সেই সিদ্ধান্তের লক্ষ্যবস্তুতে থাকা পণ্যের আমদানি এখন অতিরিক্ত শুল্ক বা বাধার সম্মুখীন হবে।
এই পরিবর্তন বাংলাদেশের রপ্তানি ক্ষেত্রে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে—বিশেষত মূল্য প্রতিযোগিতা কমতে পারে, আমদানিকারক দেশের ক্রেতারা বিকল্প উৎস খুঁজতে পারে এবং রফতানিকারক ব্যবসায়ীর ওপর খরচ বাড়তে পারে। আদেশ কমে গেলে কর্মসংস্থান ও রপ্তানি আয়ে ধাক্কা লাগার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও প্রভাবের প্রকৃতি ও পরিমাণ শিল্প ও পণ্যের ওপর নির্ভর করবে।
এ কারণে ব্যবসায়ি ও নীতিনির্ধারকরা পুনরায় শ্রমবাজার শর্ত কঠোরভাবে মেনে চলার, নিরীক্ষা বাড়ানোর এবং আন্তর্জাতিক মান মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছেন যাতে শুল্কের ফলে সৃষ্ট ঝুঁকি কমানো যায়। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও বাণিজ্য আলোচনা চালিয়ে সমস্যা মোকাবেলার ওপর গুরুত্ব দিয়েই কাজ চালিয়ে যেতে হবে।