দেশে মানবাধিকার সুরক্ষা এবং এর যথাযথ চর্চা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি স্বতন্ত্র ও শক্তিশালী কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় মন্ত্রিসভার সাম্প্রতিক বৈঠকে 'জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬'-এর খসড়াটি নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করেছে।প্রস্তাবিত এই আইনের উদ্দেশ্য হলো মানবাধিকারের উন্নয়ন ও সংরক্ষণে কমিশনের কার্যক্রমকে আরও বেশি গতিশীল ও স্বাধীন করা। নতুন এই আইন কার্যকর হলে দেশের সামগ্রিক মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়নে কমিশন আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দেশে মানবাধিকার সুরক্ষা এবং এর যথাযথ চর্চা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি স্বতন্ত্র ও শক্তিশালী কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় মন্ত্রিসভার সাম্প্রতিক বৈঠকে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়াটি নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করেছে।
প্রস্তাবিত এই আইনের উদ্দেশ্য হলো মানবাধিকারের উন্নয়ন ও সংরক্ষণে কমিশনের কার্যক্রমকে আরও বেশি গতিশীল ও স্বাধীন করা। নতুন এই আইন কার্যকর হলে দেশের সামগ্রিক মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়নে কমিশন আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।