August 17, 2026, 3:26 am
Title :
তেঁতুলিয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু তোলা যাবে না: হাইকোর্ট নরসিংদী জেল ভেঙে পালানো জঙ্গি জুয়েল বোমাসহ গ্রেফতার মুখে নয়, জনগণের সামনে দেয়া ওয়াদা পালন করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ধানমন্ডির গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বজুড়ে ছায়ানটের সংগীত শিক্ষা এক সপ্তাহে ডলারের দাম কমেছে ১ টাকার বেশি প্রাকৃতিক সম্পদ ও সৌন্দর্যে বাংলাদেশ অন্যতম শ্রেষ্ঠ দেশ: সংস্কৃতিমন্ত্রী অফিসে সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ডিএসসিসি প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন এমপি আয়নুল হকের ওপর হামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা গ্রেফতার ডেমরার একটি বাড়িতে বোমাসদৃশ বস্তুর সন্ধান যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধের দাম কমলো ৬০ বছরে সর্বোচ্চ, কৃতিত্ব কার?

রাজস্বের খরা কাটাতে সরকারের ছয় মাসে যত পদক্ষেপ এনবিআরের

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, August 15, 2026
  • 8 Time View

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকার উচ্চাভিলাষী রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ শুরু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন সরকার গঠনের পর গত ছয় মাসে রাজস্ব খাত সংস্কার ও কর আদায় বাড়াতে প্রতিষ্ঠানটি নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে কর ফাঁকি শনাক্তকরণ, বকেয়া রাজস্ব আদায়, মামলার জট কমানো এবং ভ্যাট ফাঁকি রোধে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। গত অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৪৭ শতাংশ বেশি রাজস্ব সংগ্রহের এই লক্ষ্য অর্জন এনবিআরের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

রাজস্ব বৃদ্ধিতে এনবিআর বিশেষ করে বড় করদাতা ও ঝুঁকিপ্রবণ প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে প্রায় আট হাজার ভ্যাট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং দুই হাজার বড় করদাতাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে আনা হয়েছে। এছাড়া টিডিএস বা উৎসে কর তদারকির জন্য কর্মকর্তাদের সরাসরি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তবে ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, পর্যাপ্ত অটোমেশন ছাড়া এই ক্ষমতার অপব্যবহার হতে পারে, যা ব্যবসায় হয়রানি ও দুর্নীতির সুযোগ তৈরি করবে।

আদালতে আটকে থাকা প্রায় ৮২ হাজার কোটি টাকার বকেয়া রাজস্ব উদ্ধারে এনবিআর বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) ও দ্রুত অডিট নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। পাশাপাশি কর ফাঁকি রোধে তামাক খাতে কিউআর কোড ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের পরিকল্পনাও রয়েছে। অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের মতে, রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির জন্য প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়ানো এবং করব্যবস্থাকে পুরোপুরি ডিজিটালাইজ করা জরুরি, যাতে করদাতার সাথে কর্মকর্তাদের সরাসরি যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তা কমে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com