রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে।
রোববার রাত ৮টার দিকে আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে চারটি মরদেহ স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর দখীগঞ্জ মহাশ্মশানে চার মরদেহের দাহকার্য শেষ করা হয়।
নিহতের স্বজনরা জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে মরদেহগুলো হাসপাতাল থেকে দখীগঞ্জ মহাশ্মশানে আনা হয়। এরপর মরদেহ গুলো স্নান করিয়ে নতুন কাপড় পরানো হয়। পর পর চারটি চিতায় চারজনের মরদেহ তোলা হয়। স্বজনরাই মুখাগ্নি করেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে দাহকার্য শেষ হয়।
দাহকার্যের সঙ্গে যুক্ত একজন জানান, তার জীবনে এ ধরনের দৃশ্য কখনও তিনি দেখেননি। একই পরিবারের চারজনকে এক সঙ্গে দাহ করা অনেক কষ্টের।
শনিবার রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার একটি বাসা থেকে গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী এবং স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তাদের শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের পর থেকে পরিবারটির সঙ্গে স্বজনদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। স্বজনদের মাধ্যমে খবর পেয়ে শনিবার রাতে বাসায় গিয়ে চারটি মরদেহ পায় পুলিশ।