October 1, 2026, 8:41 am
Title :
ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পরও কূটনীতির পক্ষে ইরান প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে রাজনৈতিক আনুগত্য নয়, মেধাকে গুরুত্ব দিন: ডা. শফিকুর রহমান যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী জাতিসঙ্ঘ সফর শেষে নিউইয়র্ক থেকে দুবাই পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর হাফেজদের ‘নেক্সাস’ উপহার! নেপথ্যে কারা? পটুয়াখালীতে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের অষ্টম ব্যাচের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত দর্জি থেকে ফ্রিল্যান্সার, প্রশিক্ষণ থেকে উদ্যোক্তা—তরুণদের সাফল্যের অনুপ্রেরণাদায়ী গল্প প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে ব্যুরো বাংলাদেশের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, বেতন ৯০ হাজার টাকা শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় গ্রেফতার আসামিরা ট্রাইব্যুনালে

ব্যাংক ঋণের জামানত মূল্যায়নে ১৩১ প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, September 8, 2026
  • 41 Time View

ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং ঋণের বিপরীতে দেওয়া জামানতের সঠিক মূল্য নির্ধারণে একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোর জন্য ১৩১টি অনুমোদিত জামানত মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠানের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। ব্যাংকিং খাতের কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করার উদ্দেশ্যে এই তালিকাটি প্রকাশ করা হয়, যার মাধ্যমে ব্যাংকগুলো এখন থেকে গ্রাহকদের বন্ধকী সম্পত্তির যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে পারবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে প্রকাশিত এই সার্কুলার অনুযায়ী, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে জারি করা একটি বিশেষ নীতিমালা এবং তা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা যাচাই করা হয়েছে। পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শেষে ১৩১টি প্রতিষ্ঠানকে এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুটি ভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে, যার মধ্যে ৯৮টি প্রতিষ্ঠানকে ‘ক’ গ্রুপ এবং বাকি ৩৩টি প্রতিষ্ঠানকে ‘খ’ গ্রুপে স্থান দেওয়া হয়েছে।

নতুন এই নির্দেশনার ফলে ব্যাংকগুলো তাদের বর্তমান বা ভবিষ্যৎ যেকোনো ঋণের বিপরীতে নেওয়া জামানত বা সম্পত্তির সঠিক আর্থিক মূল্য যাচাইয়ের জন্য এই তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা নিতে পারবে। তবে কেবল তালিকাভুক্ত করলেই দায়িত্ব শেষ হচ্ছে না, বরং জামানত মূল্যায়ন সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য নির্দেশিকাগুলোও ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কঠোরভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, এই তালিকাভুক্তির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে তিন বছর। নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার কমপক্ষে ছয় মাস আগেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন করতে হবে। এছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত শর্ত বা নীতিমালা লঙ্ঘন করে, তবে তিন বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই তাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার একচ্ছত্র ক্ষমতা সংরক্ষণ করে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

স্বচ্ছতা বজায় রাখার স্বার্থে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতি বছরের ১৫ জানুয়ারির মধ্যে তাদের বার্ষিক প্রতিবেদন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে বাধ্যতামূলকভাবে জমা দিতে হবে। ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিশেষ ধারার ক্ষমতাবলে জারিকৃত এই নির্দেশনাটি অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে, যা দেশের আর্থিক খাতের ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com