রাজধানীতে এডিস মশার বিস্তার রোধ এবং ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। সম্প্রতি সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ডিএনসিসির আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায়
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল দীর্ঘদিন ধরে তীব্র জনবল সংকটের মধ্য দিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। নির্ধারিত জনবলের ঘাটতির কারণে চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রতিনিয়ত হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফলে চিকিৎসা নিতে আসা
বাংলাদেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, ডেঙ্গুতে
দেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরের পরিস্থিতি দিন দিন আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা এরই মধ্যে উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
দেশে শিশু স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একটি উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে সম্প্রতি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ঘটনাগুলো শিশুদের রোগ প্রতিরোধ
দেশে হামের সংক্রমণ এবং এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে অথবা এর উপসর্গ নিয়ে প্রাণহানির সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এই পরিস্থিতি
সম্প্রতি নাটোর সদর আধুনিক হাসপাতালে হঠাৎ করেই ডায়রিয়া রোগীর চাপ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন শত শত রোগী বমি, পাতলা পায়খানা ও তীব্র পেটব্যথা নিয়ে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে
সুস্থ জীবনযাপন করা এবং দীর্ঘকাল রোগমুক্ত থাকা আজকের দিনে প্রায় প্রতিটি মানুষেরই প্রধান লক্ষ্য হিসেবে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু বাস্তবিক ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত এই সুস্থতা অর্জন করা যতটা সহজ বলে মনে করা হয়,
রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় রক্ত পরীক্ষার পর্যাপ্ত সুবিধা থাকা সত্ত্বেও রোগীদের কাছ থেকে তা বাইরে করানোর একটি গুরুতর অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। সম্প্রতি হাসপাতালটি আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে এই
দেশে ক্রমবর্ধমান মানসিক স্বাস্থ্য সংকট কার্যকরভাবে মোকাবিলা করার লক্ষ্যে একটি জরুরি ও সুসংহত সেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলার জোরালো দাবি উঠেছে। বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ এবং সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট প্রতিনিধিরা যৌথভাবে এই