January 15, 2026, 3:53 pm
Title :
‘গুলি এবার ফস্কাবে না’, ট্রাম্পকে খুনের হুমকি পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার চেষ্টা চলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ৮০ হাজার কোটি ডলার চায় ইউক্রেন, হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী বললেন—‘টাকা গাছে ধরে না’ সংস্কারের সবচেয়ে বড় ম্যান্ডেট জুলাই গণঅভ্যুত্থান: আলী রীয়াজ নিরাপত্তা নাকি খনিজ সম্পদ, কেন গ্রিনল্যান্ড দ্বীপটি পেতে মরিয়া ট্রাম্প? গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষকের বৈঠক নিজের স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের কথা ভাবতে হবে : উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে অভিযান চালাবে যুক্তরাষ্ট্র? ক্ষমতায় গেলেও শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন হবে না গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে ভোটারদের অংশগ্রহণ জরুরি : সালমা খাতুন

জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে জনগণ অধিকার ফিরে পাবে না: তাসনিম জারা

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, January 13, 2026
  • 22 Time View

নিউজ ডেস্ক:
এনসিপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ও ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা বলেছেন, আমরা যদি জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে না পারি তাহলে জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে পারবো না।

বাংলাদেশে বিদ্যমান সমাজব্যবস্থায় গণতান্ত্রিক জবাবদিহির কাঠামো খুবই দুর্বল—এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমাদের যে বিদ্যমান ব্যবস্থা আছে সেখানে কিন্তু গণতান্ত্রিক জবাবদিহির কাঠামোটা খুব দুর্বল। যারা জনগণের ভোটে সংসদে যাচ্ছেন তারা কিন্তু দলের বিরুদ্ধে ভোট দিলে আর এমপি থাকতে পারছেন না। অর্থাৎ জনগণের ভোটে তারা সংসদে যাচ্ছেন, কিন্তু জনপ্রতিনিধি হওয়ার উপায়টা তাদের জন্য সাংবিধানিকভাবেই বন্ধ করা আছে।

ডা. জারা বলেন, তাহলে কি তারা (এমপিরা) ক্যাবিনেটকে জবাবদিহি করবে? সংবিধানে আছে, ক্যাবিনেটকে জবাবদিহি করবে পার্লামেন্ট। কিন্তু পার্লামেন্টের আবার হাত-পা বাঁধা। কারণ, তারা দলের বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারছেন না।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। ‘জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক এ সংলাপ আয়োজন করে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক ফ্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ।

তাসনিম জারা বলেন, আমাদের যে মন্ত্রীরা আছেন প্রধানমন্ত্রী আছেন তারা যদি দুর্নীতি করেন তাহলে জবাবদিহি কে নেবে? দুর্নীতি দমন কমিশন? কিন্তু দুর্নীতি দমন কমিশনের যে কমিশনার তাকে নিয়োগ দেন প্রেসিডেন্ট। আবার প্রেসিডেন্টের এই কাজটা করতে হয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে। তাহলে তো আর জবাবদিহির ব্যবস্থা থাকলো না। কারণ, যে যার জবাবদিহি নেবে সেই তাকে নিয়োগ করছে। সেজন্য এখানে জবাবদিহির কাঠামো খুব দুর্বলই থেকে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও এমপিদের মানবাধিকার লঙ্ঘনও জবাবদিহির মধ্যে আনার উপায় নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, যারা প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রী-এমপি হবেন তারা যদি মানবাধিকার লঙ্ঘন করেন তখন জবাবদিহি কে চাইবে? কোন প্রতিষ্ঠান চাইবে? মানবাধিকার কমিশন করতে পারে। কিন্তু মানবাধিকার কমিশনের ক্ষেত্রেও যারা কমিশনের কমিটিতে থাকছেন তাদের বাছাই কমিটিতে আছেন আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

ঢাকা-৯ আসনের এই স্বতন্ত্র প্রার্থী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী যদি দুর্নীতি করেন তার জবাবদিহির জন্য যে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো আছে সেই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিরপেক্ষভাবে কাজ করা থেকে বিরত থাকে। কারণ, যাকে তার কাছে জবাবদিহি করতে হবে সে-ই তার নিয়োগকর্তা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com