হাদির মৃত্যু নিয়ে ছিল বহুমুখী রাজনীতি : মাসুদ কামাল
Reporter Name
Update Time :
Tuesday, March 10, 2026
26 Time View
সিনিয়র সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল বলেছেন, ওসমান হাদির মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি কম হয়নি। সে রাজনীতি ছিল বহুমুখী রাজনীতি। সে রাজনীতির মাধ্যমে যে কাজগুলো করা হয়েছে বলে মনে হয়, প্রথমত লক্ষ্য ছিল নির্বাচনকে পিছিয়ে দেওয়া। আরেকটা রাজনীতি ছিল, সেই ইস্যুটাকে সামনে রেখে আমাদের ’৭১ কে আরো অবমূল্যায়ন করা।
’৭১-এ যারা মহানায়ক ছিলেন তাদেরকে অবমূল্যায়ন করা। সেই অবমূল্যায়নের একটা নমুনাও আমরা দেখলাম যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব নামে ছাত্রদের যে হল ছিল সে হলের নাম চেঞ্জ করে তারা সেখানে শহীদ হাদির নামে নামকরণ করেছে।
সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলের এক ভিডিওতে মাসুদ এসব কথা বলেন।
মাসুদ কামাল বলেন, শরীফ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের মূল নায়ক হিসেবে যাদেরকে পুলিশ চিহ্নিত করেছে সেই ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ভারত থেকে।
ভারতের পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করেছে।
তিনি বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আমাদের সীমান্তবর্তী বনগাঁও এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার সহযোগী হিসেবে পরিচিত আলমগীর হোসেন কেও আটক করা হয়েছে। এই দুজনেই শরীফ উসমান হাদির হত্যাকারী এবং হত্যার সহযোগী হিসেবে আমাদের পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছিল।
মাসুদ বলেন, এখন এদেরকে যদি ঠিকঠাক মত জিজ্ঞাসাবাদ করা যায় তাহলে আমরা জানতে পারবো যে, শরীফ উসমান হাদির হত্যার পেছনে মূল কে অথবা কারা? আমি মনে করি জানা খুবই জরুরি।
তিনি আরো বলেন, যখন হাদিকে হত্যা করা হয় তখন দেশে কি চলছিল? ঘটনাটা ঘটেছিল ২০২৫ এর ১২ ডিসেম্বর। ঠিক তার আগের দিন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছিল। যে নির্বাচনটা আমাদের হয়ে গেল ফেব্রুয়ারিতে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার ঠিক পরের দিন শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করা হলো।
হত্যা করার পর যে দাবিটা সবচেয়ে বেশি জোড়ালোভাবে উঠলো সেটা হলো এখন নির্বাচন করা যাবে না। এখন দেশে নির্বাচনের পরিস্থিতি নেই। শরীফ উসমান হাদির সংগঠন ইনকলাব মঞ্চ তারা বলা শুরু করল যে, হাদির বিচার সম্পন্ন হওয়ার আগে কোন নির্বাচন হবে না। এই দাবিতে তারা শাহাবাগ অবস্থান নিল। সারা দেশে একটা হইচয় করে গেল।