August 17, 2026, 9:15 pm
Title :
খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করলেও পরাজিত হননি, কিন্তু হাসিনা পালিয়েছেন আরও এক বছর মন্ত্রিপরিষদ সচিব থাকছেন নাসিমুল গনি প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশিত গতির সঙ্গে তাল মেলাতে পারছি না পৃথিবীর কোন দেশে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ হয় না, প্রশ্ন রিজভীর শেখ হাসিনা আসুক, বিএনপি এটাই চায়: নিলোফার চৌধুরী মনি ডা. দীপু মনিকে পাঁচ মামলায় জামিন কেন নয়, জানতে চান হাইকোর্ট ১৮০ দিনের মূল্যায়নের মুখে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা, রদবদল নিয়ে জল্পনা সরকারের দাবি শতভাগ সফলতা না এলেও আন্তরিকতা ছিল শতভাগ খালেদা জিয়ার আদর্শে জনকল্যাণে কাজ করতে হবে: আবু সুফিয়ান হবিগঞ্জে মিছিলের প্রস্তুতিকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাহদীসহ আ’ ট’ ক ৩

ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ফিরতে মরিয়া আওয়ামী লীগ নেতা, সংঘর্ষে আহত ৫০

Reporter Name
  • Update Time : Monday, June 8, 2026
  • 33 Time View

নিউজ ডেস্ক:
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার বড়ইউড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও প্যানেল চেয়ারম্যানের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষে ওসি, পুলিশসহ কমপক্ষে ৫০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। কিছু দিন আগে কারামুক্তির পর স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদ আহমেদ তার আগের দায়িত্বে (ইউপি চেয়ারম্যান) পদে ফিরতে চাওয়াকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষে সূত্রপাত বলে জানা গেছে ।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে বড়ইউড়ি ইউনিয়নের কালাইনজুড়া গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলে দুপক্ষের সংঘর্ষ। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি ফরিদ আহমেদ জুলাই আন্দোলনের সময়কার মামলার আসামি হিসেবে কারাগারে ছিলেন। এ সময় তার অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার ও প্যানেল চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিন। কফিল উদ্দিন স্থানীয়ভাবে যুবদলের রাজনীতিকে সক্রিয়।

অন্যদিকে ফরিদ আহমেদ সম্প্রতি কারাগার থেকে বের হওয়ার পর ইউপি চেয়ারম্যানের পদ নিয়ে দুপক্ষের দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। একপর্যায়ে হাইকোর্টের আদেশে স্বপদে পুনর্বহাল হন ফরিদ আহমেদ। কিন্তু তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া নিয়ে কফিল উদ্দিন ও ফরিদ আহমেদের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চলে আসছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সকালে চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ভিজিএফ চাল বিতরণ শুরু করলে প্যানেল চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিন বাধা দেন। এনিয়ে উভয়ের পক্ষ নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুপক্ষ। সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সংঘর্ষের সময় উভয়পক্ষ দেশি অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করতে দেখা গেছে। সংঘর্ষ চলাকালে অন্তত ৫০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজন হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

তাছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে বানিয়াচং থানার ওসি শেখ নাজমুল হকসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হন। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ লাঠিচার্জসহ পাঁচটি সাউন্ড গ্রেনেড ও তিন রাউন্ড টিয়ারগ্যাস শেল ছুড়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।

ওসি শেখ নাজমুল হক জানান, ইউপি চেয়ারম্যানের পদ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে আমি সহ চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com