October 1, 2026, 8:11 pm
Title :
ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পরও কূটনীতির পক্ষে ইরান প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে রাজনৈতিক আনুগত্য নয়, মেধাকে গুরুত্ব দিন: ডা. শফিকুর রহমান যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী জাতিসঙ্ঘ সফর শেষে নিউইয়র্ক থেকে দুবাই পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর হাফেজদের ‘নেক্সাস’ উপহার! নেপথ্যে কারা? পটুয়াখালীতে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের অষ্টম ব্যাচের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত দর্জি থেকে ফ্রিল্যান্সার, প্রশিক্ষণ থেকে উদ্যোক্তা—তরুণদের সাফল্যের অনুপ্রেরণাদায়ী গল্প প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে ব্যুরো বাংলাদেশের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, বেতন ৯০ হাজার টাকা শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় গ্রেফতার আসামিরা ট্রাইব্যুনালে

এক সপ্তাহে ডলারের দাম কমেছে ১ টাকার বেশি

Reporter Name
  • Update Time : Monday, August 17, 2026
  • 64 Time View

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে ডলারের দামে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকি জোরদার করায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে আন্তঃব্যাংকে এর দাম কমেছে ১ টাকা ৪ পয়সা।

৬ আগস্ট আন্তঃব্যাংকে প্রতি ডলারের গড় দাম ছিল গড়ে ১২৩ টাকা ৮২ পয়সা। রোববার পর্যন্ত তা কমে দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা ৭৮ পয়সায়। একই সঙ্গে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে এলসি খোলার ক্ষেত্রেও এর দাম কিছুটা কমেছে।

৬ আগস্ট এলসিতে গড় দাম ছিল ১২৩ টাকা ৯৭ পয়সা। রোববার তা কমে গড় দাম দাঁড়ায় ১২৩ টাকা ৬৫ পয়সায়। এলসিতে ডলারের দাম কমেছে গড়ে ৩২ পয়সা।

সূত্র জানায়, সাম্প্রতি কয়েকটি ব্যাংক ডলারের দামে বেশ কারসাজি করে। তারা পরিকল্পিতভাবে এর দাম বাড়াতে ভূমিকা রাখে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঘটনাটি জানতে পেরে কয়েকটি ব্যাংকে বিশেষ তদন্ত করে।

এতে ডলার নিয়ে কারসাজির প্রমাণ পাওয়া গেছে। ব্যাংকগুলো বিষয়টি অবহিত হয়ে তারা পর্যায়ক্রমে এর দাম কমাতে শুরু করে। ৬ আগস্টের পর থেকে রোববার পর্যন্ত আন্তঃব্যাংকে ডলারের দাম কমেছে ১ টাকা ৪ পয়সা।

এদিন আন্তঃব্যাংকে ডলারের সর্বোচ্চ দাম ১২৩ টাকা ৫ পয়সা ছিল। সর্বনিম্ন দাম ছিল ১২২ টাকা ৬৩ পয়সা। গড় দাম ছিল ১২২ টাকা ৭৮ পয়সা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, আলোচ্য সময়ে ব্যাংকগুলোতে ডলারের চাহিদা কমেনি বরং আরও বেড়েছে। চাহিদা বাড়ার পর যেখানে ডলারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কথা, সেখানে এর দাম কমছে। ৯ আগস্ট ব্যাংকগুলোতে ডলার সোয়াপ (স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি ঋণ) হয়েছিল ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার।

গত সোমবার তা বেড়ে দাঁড়ায় ১০ কোটি ৮০ লাখ ডলারে। মঙ্গলবার তা কমে দাঁড়ায় ৫ কোটি ১৩ লাখ ডলার ও বুধবার ৫ কোটি ডলার সোয়াপ হয়।

ব্যাংকগুলোতে আমদানির এলসি খোলার প্রবণতা যেমন বেড়েছে, তেমনি বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের মাত্রাও বেশি। রেমিট্যান্স কেনার ডলারের দামও কমেছে। আগস্টের প্রথম দিকে রেমিট্যান্সের ডলারের দাম সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৯৯ পয়সায় ওঠেছিল।

এখন তা কমে ১২৩ টাকা ৮৫ পয়সায় নেমে এসেছে। তবে কিছু দুর্বল ব্যাংকে এখনো ডলার সংকট আছে। তারা বেশি দামে রেমিট্যান্সের ডলার কিনছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com