বিএফটিআইয়ের দায়িত্বে থাকা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. সাইফ উদ্দিন আহমেদ গবেষণা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের জন্য এই পরিবর্তনের সুযোগ হাতছাড়া করার সুযোগ নেই। বৈশ্বিক এমএমএফ বাজারে উল্লেখযোগ্য অংশীদারত্ব নিশ্চিত করতে পারলে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানো এবং দেশের পোশাকশিল্পের দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তি আরো শক্তিশালী হবে।
গবেষণায় বাংলাদেশকে এমএমএফ পোশাক উৎপাদনের একটি আঞ্চলিক কেন্দ্রে পরিণত করার রোডম্যাপও তুলে ধরা হয়েছে। এতে ধাপে ধাপে নীতিগত সংস্কার, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পের বিকাশ এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ড. সাইফ উদ্দিন আহমেদ বলেন, শক্তিশালী নীতিগত সহায়তা এবং সমন্বিত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে এমএমএফ উৎপাদনে শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর সঙ্গে আরো কার্যকরভাবে প্রতিযোগিতা করতে পারবে বাংলাদেশ।