সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের পনেরোতম আসরটি চার থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় হওয়ার কথা থাকলেও অংশগ্রহণকারীদের চূড়ান্ত তালিকা এখনও অনিশ্চিত। কারণ নেপালকে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা ফিফা এখনো সাসপেন্ড করে রেখেছে; যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই সাসপেনশন উঠানো না যায় তাহলে নেপাল ছাড়া মাত্র ছয় দল নিয়ে টুর্নামেন্টটি আয়োজন করতে হবে। এবারের আয়োজনেই সাফ আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোনো অতিথি দল নেবেনা; ড্র অনুষ্ঠান ১ আগস্ট ভুটানে অনুষ্ঠিত হবে এবং ঢাকায় লোগো উন্মোচনের দিন ধার্য করা হয়েছে ২৫ জুলাই।
প্রথমে দুইটি ভেন্যু বিবেচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত সব ম্যাচই ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে; স্টেডিয়ামের ঘাস নতুন করে লগানো হয়েছে এবং মাঠ এখন ভালো অবস্থায় আছে বলে সংগঠকরা বলছেন। সাফ থেকে জানানো হয়েছে ড্র অনুষ্ঠানে নেপালকে হিসেবে ধরে রাখা হবে এবং সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাদের সময় দেওয়া হয়েছে; যদি তখনও ফিফার নিষেধাজ্ঞা উঠানো না যায় তাহলে গ্রুপ থেকে তাদের নাম বাদ দিয়ে ফিকচার চূড়ান্ত করা হবে বলে জানানো হয়েছে। সাফ সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন জানিয়েছেন যে ভেন্যু ও আয়োজনের প্রস্তুতি নির্ধারিত সময়ের আগেই সম্পন্ন করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার এই বৈশ্বিক পরিচিতির টুর্নামেন্টটি ১৯৯৩ সালে শুরু হয়ে বাংলাদেশে ইতোমধ্যে তিনবার (২০০৩, ২০০৯, ২০১৮) আয়োজন হয়েছে এবং ২০০৩-এ একবার শিরোপা জিতেছে; সাম্প্রতিক আসরে বাংলাদেশ সেমিফাইনালে গিয়ে কুয়েতের কাছে হেরে ফেরে। জুনে দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া থমাস ডুলি অভিষেক ম্যাচে সান মারিনোকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছেন এবং দল সেপ্টেম্বরের একটি চারজাতি টুর্নামেন্ট আয়োজন করে সাফের আগে প্রস্তুতি নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। ইতিহাস বলছে, ১৪টি কড়া প্রতিযোগিতায় ভারত আটবার শিরোপা তুলেছে, মালদ্বীপ দুইবার, আর বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও শ্রীলংকা একবার করে জয়ী হয়েছিলেন; যদিও আফগানিস্তান এখন দক্ষিণ এশিয়ার টুর্নামেন্টে অংশ নেয় না।