স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, বিএনপি প্রতিহিংসার পরিবর্তে আইনের শাসনে বিশ্বাসী। দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে হওয়া ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের বিচার যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হবে। এক্ষেত্রে সরকার কোনো ‘উইচ-হান্টিং’ বা প্রতিশোধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াবে না, বরং দুর্নীতির তদন্তে দায়িত্বরত সংস্থাগুলো তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে।
স্থানীয় সরকারের নির্বাচন প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নয়, বরং সংবিধান ও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরে নির্বাচন আয়োজন করা হবে। বিগত দিনের বিতর্কিত নির্বাচনগুলোর কঠোর সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন যে, রাতের ভোট বা ভুয়া ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বর্তমান সরকার সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে কাজ করছে এবং জনগণের প্রকৃত মতামতের প্রতিফলন ঘটানোই তাদের প্রধান লক্ষ্য।
ড. মঈন খান আরও যোগ করেন যে, তার মন্ত্রণালয়ের মূল অগ্রাধিকার হবে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের সেবা নিশ্চিত করা। বিশেষ করে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে সবার জন্য সমান সুযোগ ও সুশাসন নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের মূল চ্যালেঞ্জ ও লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।