আগামী আগস্টে অস্ট্রেলিয়ার মাঠে দুইটি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ জাতীয় দল; প্রথম টেস্ট শুরু হবে ১৩ আগস্ট এবং সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ শুরু হবে ২২ আগস্ট। একই সময় বাংলাদেশের কয়েকটি দলও ঘোরাঘুরি করবে—এ’ দল, ইমার্জিং দল এবং হাই পারফরম্যান্স ইউনিট পৃথকভাবে অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে।
দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে পাঁচটি ওয়ানডে ও দুইটি চার দিনের ম্যাচ খেলতে ১৫ সদস্যের ইমার্জিং দল ২৭ জুলাই প্রিটোরিয়ার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। ঘোষণা করা দলে চারজন জাতীয় ক্রিকেটার রয়েছেন—জাকির হাসান, শাহাদাত রিয়াদ (দীপুর), আমিনুল ইসলাম বিপ্লব ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। এদের মধ্যে জাকির কাঁধে রয়েছে বাঁহাতি ওপেনারের অভিজ্ঞতা; তার আন্তর্জাতিক রেকর্ডে রয়েছে ১৩টি টেস্ট, ২টি ওয়ানডে ও ৪টি টি-টোয়েন্টি। শাহাদাত দীপু খেলেছেন ৬টি টেস্ট ও ৩টি টি-টোয়েন্টি, আমিনুলের রয়েছে ১০টি টি-টোয়েন্টি, আর মাহিদুলকে দেশের হয়ে দেখা গিয়েছিল ১টি টেস্ট ও ৩টি ওয়ানডে ম্যাচে।
সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো দলটি কোনো অধিনায়ক ছাড়া পাঠানো হয়েছে—বিসিবির আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় ক্যাপ্টেন হিসেবে কারো নাম নেই। বোর্ড জানিয়েছে এটি স্বেচ্ছাকরণ সিদ্ধান্ত; দরকার অনুযায়ী প্রতিটি ম্যাচে আলাদা কাউকে নেতৃত্ব দেওয়া হতে পারে। আরও অদ্ভুত যে, ওই ১৫ সদস্যের দলটিকে আনুষ্ঠানিক কোনো কর্মকর্তাও সঙ্গী করেনি।
দলের কোচিং স্টাফে রয়েছেন সাবেক জাতীয় দলের প্রধান কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দীন (হেড কোচ), স্পিন কোচ হিসেবে আছেন সাবেক খেলোয়াড় ও নির্বাচক আব্দুর রাজ্জাক এবং আরও একজন কোচ গোলাম মুর্তজা। যেহেতু এটি হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের দল হওয়ায় হাই পারফরম্যান্স ম্যানেজার জামাল বাবুও সঙ্গে গেছেন; তবে হেড কোচ সালাউদ্দীন দলের সঙ্গে আজ যাওয়া হয়নি—তিনি দু’তিন দিনের মধ্যে যোগ দেবেন। টুর্নামেন্টটি ৩০ জুলাই থেকে শুরু হবে; বাংলাদেশ ইমার্জিং দল প্রথম ওয়ানডে খেলবে ১ আগস্ট, রাউন্ড রবিন শেষ হবে ৯ আগস্ট এবং ফাইনাল থাকলে ১১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। এরপর হাই পারফরম্যান্স ইউনিট সোহেল ইসলামের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ায় টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট খেলবে এবং তাদের প্রথম ম্যাচ হবে ২২ আগস্ট, প্রতিপক্ষ নেপাল।