July 1, 2026, 8:36 pm
Title :
গণভোটের রায় না মানায় রাজপথে বিরোধী দল: জামায়াত আমির গণভোটের রায় না মানায় রাজপথে বিরোধী দল: জামায়াত আমির চীনের ‘টু প্লাস টু’ ও করিডর প্রস্তাব বিবেচনা করবে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবার ঢাকা থেকে সারা দেশের এইচএসসি পরীক্ষা মনিটরিং করা যাবে পরবর্তী সেনাপ্রধান কে? আলোচনায় চার লেফটেন্যান্ট জেনারেল সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে হত্যার হুমকি, ‘পোষ্যদের’ শিক্ষা দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদ বাংলাদেশ সমর্থন করে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আমরা বলেছি সরকারি সুবিধা না নেওয়ার চেষ্টা করবো, তবে কেউ নিলে অপরাধ নয়:জামায়াত আমির রেজাল্ট খারাপ করলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতাও চেক করতে পারবে: শিক্ষামন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ৫০০ কেজি আম উপহার পাঠালো বাংলাদেশ

বিসিবির পদ ফিরে পেলেন সেই নাজমুল ইসলাম

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, January 25, 2026
  • 111 Time View

স্পোর্টস ডেস্ক:
বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অর্থ কমিটির প্রধানের দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল এম নাজমুল ইসলামকে। ১০ দিন না পেরোতে তিনি আবারও অর্থ বিভাগের দায়িত্বে ফিরেছেন।

গতকাল বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভায় উপস্থিত ছিলেন এম নাজমুল ইসলাম। সেখানেই তাকে পুনরায় অর্থ বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বিসিবির এক পরিচালক বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন।

নাজমুল ইসলামকে ঘিরে বৈঠকের পর বিসিবি মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘এম নাজমুল ইসলাম তার কাছে যেসব জবাব চাওয়া হয়েছিল, অর্থাৎ বোর্ডের শোকজ নোটিসের যে জবাব, তা শৃঙ্খলা বিভাগে পাঠিয়েছেন। বিসিবির শৃঙ্খলা বিভাগ জানিয়েছে, তার জবাব সন্তোষজনক।’

এর আগে তামিম ইকবালকে নিয়ে মন্তব্যসহ বিভিন্ন বক্তব্যের কারণে সমালোচনার মুখে পড়েন এম নাজমুল ইসলাম। এক পর্যায়ে তিনি ক্রিকেটারদের টাকা ফেরত দেওয়ার কথাও বলেন। এসব ঘটনায় ক্রিকেট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন এই বিসিবি পরিচালকের পদত্যাগ দাবি করে।

পরিস্থিতি আরও জটিল হলে মোহাম্মদ মিঠুন, নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজসহ সব বাংলাদেশি ক্রিকেটার ১৫ জানুয়ারি বিপিএল বয়কট করেন। এর পরপরই বিসিবি এম নাজমুল ইসলামকে শোকজ নোটিস দেয়। তাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়।

নাজমুল ইসলাম নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর বিসিবিকে তার ব্যাখ্যা দেন। তবে বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বোর্ড সরাসরি কোনো পরিচালককে অপসারণ করতে পারে না। চার বছরের জন্য নির্বাচিত কোনো পরিচালকের পদ কেবল নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে শূন্য ঘোষণা করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে মৃত্যু, মানসিক ভারসাম্য হারানো, শৃঙ্খলাজনিত শাস্তি, দেউলিয়া ঘোষণা হওয়া অথবা টানা তিনটি বোর্ড সভায় অনুপস্থিত থাকা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com