October 1, 2026, 7:57 am
Title :
ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পরও কূটনীতির পক্ষে ইরান প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে রাজনৈতিক আনুগত্য নয়, মেধাকে গুরুত্ব দিন: ডা. শফিকুর রহমান যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী জাতিসঙ্ঘ সফর শেষে নিউইয়র্ক থেকে দুবাই পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর হাফেজদের ‘নেক্সাস’ উপহার! নেপথ্যে কারা? পটুয়াখালীতে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের অষ্টম ব্যাচের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত দর্জি থেকে ফ্রিল্যান্সার, প্রশিক্ষণ থেকে উদ্যোক্তা—তরুণদের সাফল্যের অনুপ্রেরণাদায়ী গল্প প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে ব্যুরো বাংলাদেশের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, বেতন ৯০ হাজার টাকা শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় গ্রেফতার আসামিরা ট্রাইব্যুনালে

ব্যাংক রেজোল্যুশন (সংশোধন) বিল পাস, বিতর্কিত মালিকদের ফেরার ধারাটি বাদ

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, September 10, 2026
  • 26 Time View

জাতীয় সংসদে সম্প্রতি ব্যাংক রেজোল্যুশন (সংশোধন) বিল পাস হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংশ্লিষ্ট বিলটি সংসদে উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলটি উত্থাপনের সময় অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনও উপস্থাপন করা হয়। এই সংশোধনের মাধ্যমে ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য বড় ধরনের একটি আইনি পরিবর্তন আনা হয়েছে।

মূলত সংকটে থাকা তফশিলি ব্যাংকগুলো পুনর্গঠনের উদ্দেশ্যে বাজারভিত্তিক বিকল্প কাঠামো তৈরির লক্ষ্যে আইনটিতে ১৮(ক) ধারাটি যুক্ত করা হয়েছিল। এর মূল লক্ষ্য ছিল ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ও তারল্য সংকট সফলভাবে মোকাবিলা করা এবং আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি ব্যাংক সরাসরি অবসায়ন না করে সরকারি অর্থের ওপর আর্থিক চাপ কমানোর একটি কৌশলগত উদ্দেশ্যও এর পেছনে কাজ করেছিল।

তবে আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে নির্ধারিত কঠোর নিয়ন্ত্রক শর্তগুলো পূরণ করে কোনো ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এগিয়ে আসেননি। অর্থমন্ত্রী জানান যে, ধারাটিতে যোগ্য ও সক্ষম প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে যে কঠোর শর্ত রাখা হয়েছিল, তা কেউ পুরোপুরি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে আইনটির মূল উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত না হওয়ায় এটি বাতিলের এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা মূল অধ্যাদেশে এই বিতর্কিত ধারাটি ছিল না। পরবর্তীতে দায়িত্ব গ্রহণকারী সরকার অধ্যাদেশটি সংশোধন করে আইন হিসেবে পাসের সময় এটি যুক্ত করলে ব্যাপক বিতর্কের সূত্রপাত হয়। সমালোচকদের প্রধান আশঙ্কা ছিল যে, এর মাধ্যমে রেজোল্যুশনের আওতায় পড়া ব্যাংকের সাবেক বা বিতর্কিত পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডাররা পুনরায় মালিকানায় ফেরার সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে পাঁচটি সমস্যাগ্রস্ত ইসলামি ব্যাংক একীভূত করে একটি সম্মিলিত ব্যাংক গঠনের প্রক্রিয়ায় এই ধারাটি নিয়ে জনমনে প্রবল উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সকল পক্ষের মতামত ও বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার বিতর্কিত এই ধারাটি পুরোপুরি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com