October 1, 2026, 3:17 pm
Title :
ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পরও কূটনীতির পক্ষে ইরান প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে রাজনৈতিক আনুগত্য নয়, মেধাকে গুরুত্ব দিন: ডা. শফিকুর রহমান যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী জাতিসঙ্ঘ সফর শেষে নিউইয়র্ক থেকে দুবাই পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর হাফেজদের ‘নেক্সাস’ উপহার! নেপথ্যে কারা? পটুয়াখালীতে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের অষ্টম ব্যাচের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত দর্জি থেকে ফ্রিল্যান্সার, প্রশিক্ষণ থেকে উদ্যোক্তা—তরুণদের সাফল্যের অনুপ্রেরণাদায়ী গল্প প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে ব্যুরো বাংলাদেশের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, বেতন ৯০ হাজার টাকা শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় গ্রেফতার আসামিরা ট্রাইব্যুনালে

মুশফিক ভাই বলেছেন, খুশি হওয়ার কিছু নেই, রান করো- সেটাই তোমার কাজ!

Reporter Name
  • Update Time : Monday, September 7, 2026
  • 44 Time View

দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত প্রথম চার দিনের অনানুষ্ঠানিক টেস্টে বাংলাদেশ দল বড় ব্যবধানে পরাজিত হলেও, পচেফস্ট্রোমে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তাওহীদ হৃদয়ের অতিমানবীয় ও অসাধারণ ব্যাটিং নৈপুণ্যের কল্যাণে বাংলাদেশ ‘এ’ দল ওই ম্যাচটি ড্র করতে সক্ষম হয়। সিরিজ শেষে পচেফস্ট্রোমের কন্ডিশন, উইকেট এবং প্রতিপক্ষ দলের শক্তিমত্তা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন এই তরুণ ব্যাটার। বিশেষ করে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে তার সেই ঐতিহাসিক ট্রিপল সেঞ্চুরির নেপথ্য গল্প এবং অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমের অবদানের কথা তিনি বিশেষভাবে তুলে ধরেছেন।

সাক্ষাৎকারে তাওহীদ হৃদয় জানান যে ঐতিহাসিক ইনিংসটির পেছনে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমের ধারাবাহিক অনুপ্রেরণা ও মূল্যবান পরামর্শ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। পচেফস্ট্রোমে চার দিনের ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মুশফিক নিয়মিত তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন এবং ব্যাটিং কৌশল নিয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। সেঞ্চুরি কিংবা ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর মুশফিক তাঁকে কোনোভাবেই আত্মতুষ্টিতে না ভুগে কেবল নিজের কাজ অর্থাৎ ব্যাটিং চালিয়ে যাওয়ার তাগিদ দিয়েছিলেন। ছোটবেলা থেকেই মুশফিকুর রহিমকে নিজের আদর্শ হিসেবে মানেন উল্লেখ করে হৃদয় বলেন যে তাঁর মতো একজন নিবেদিতপ্রাণ ক্রিকেটারের এমন সমর্থন তাঁকে মানসিকভাবে দারুণভাবে উদ্দীপ্ত করেছে।

পচেফস্ট্রমের উইকেট এবং প্রতিপক্ষ দলের বোলিং আক্রমণ সম্পর্কে বলতে গিয়ে হৃদয় জানান যে সেখানকার পিচ আপাতদৃষ্টিতে ফ্ল্যাট মনে হলেও পেসারদের স্কিড এবং স্পিনারদের টার্ন বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বেশিরভাগ খেলোয়াড় নিয়মিত কাউন্টি ক্রিকেট খেলার কারণে বেশ অভিজ্ঞ ও শক্তিশালী ছিল, যাদের বিরুদ্ধে খেলা বাংলাদেশের জন্য একটি দারুণ শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা হয়েছে। প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে হেরে গেলেও পরবর্তীতে মানিয়ে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে এই সিরিজের ভূমিকা অপরিসীম বলে তিনি মন্তব্য করেন। দীর্ঘ সংস্করণের ক্রিকেটকেই একজন খেলোয়াড়ের দক্ষতা উন্নয়নের সবচেয়ে উপযুক্ত মাধ্যম হিসেবে দেখছেন এই তরুণ তুর্কি।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে খুব বেশি দূর না ভেবে বর্তমানের ওপর মনোযোগ দিতেই বেশি পছন্দ করেন তাওহীদ হৃদয়। লাল বলের ক্রিকেটে সুযোগ পেলে নিজের সেরাটা উজাড় করে দিতে তিনি সর্বদা প্রস্তুত আছেন বলে জানান। পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে দায়িত্ব পালন করাই তাঁর মূল লক্ষ্য এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে দলের চাহিদা অনুযায়ী পারফর্ম করতে তিনি মুখিয়ে থাকেন। দীর্ঘ সময় ধরে ক্রিজে টিকে থেকে ইনিংস গড়ার এই অভিজ্ঞতা তাঁর ক্রিকেটীয় মেধা ও মানসিক দৃঢ়তা বৃদ্ধিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com