দীর্ঘ দুই বছর পর মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য পুনরায় খোলার সম্ভাবনাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তবে ৪২৩টি যোগ্য এজেন্সির মধ্য থেকে মাত্র ২৫টিকে তালিকাভুক্ত করার বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দলটি। এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এক বিবৃতিতে প্রশ্ন তুলেছেন, ঠিক কোন মানদণ্ড ও প্রক্রিয়ায় এই এজেন্সিগুলোকে নির্বাচন করা হয়েছে, তা এখনও অস্পষ্ট। অতীতের সিন্ডিকেট বাণিজ্য যেন নতুন করে মাথাচাড়া না দেয়, সে বিষয়ে সরকারকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
বিগত দিনে সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে কর্মীদের অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় বহন করতে হয়েছে, যা অনেক পরিবারকে পথে বসিয়ে দিয়েছিল। সরকার নির্ধারিত খরচের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি অর্থ আদায়ের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা যেন পুনরাবৃত্তি না হয়, সেজন্য এনসিপি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছে। এছাড়া, অতীতের অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে দলটি।
এনসিপির মতে, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর একচেটিয়া ব্যবসার ক্ষেত্র হতে পারে না। কর্মীদের স্বার্থ রক্ষায় অভিবাসন ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে রাখা এবং পুরো প্রক্রিয়াটি জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানিয়েছে তারা। বিশেষ করে যারা ২০২৪ সালে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেও মালয়েশিয়ায় যেতে পারেননি, তাদের বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধান করার জন্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের মাধ্যমে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে এনসিপি।