জানা যায়, প্রতিষ্ঠার পর প্রস্তাবিত জনবল নীতিমালা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়।
২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড। এর ৯ বছরেও অনুমোদন হয়নি জনবল নীতিমালা (অর্গানোগ্রাম)।
জানা যায়, প্রতিষ্ঠার পর প্রস্তাবিত জনবল নীতিমালা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়।
সূত্রটি জানায়, শিক্ষা ক্যাডাররা কলেজ ছেড়ে শিক্ষা বোর্ডে সংযুক্ত হওয়ার কারণ হচ্ছে, বোর্ডে যোগদান করার পর বেতনের বাইরেও অনেক বাড়তি ভাতা থাকে। পাশাপাশি অবৈধ উপার্জনের সুযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মচারী বলেন, বেশিরভাগ কাজ কর্মচারীরা করেন। অথচ কর্মকর্তা আর কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় সমান।
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান ড. গাজী হাসান কামাল এ বিষয়ে কালের কণ্ঠকে বলেন, পপুলেশন (শিক্ষার্থীর সংখ্যা) অনুযায়ী ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে এত কর্মকর্তা থাকার কোন প্রয়োজন নেই। আমি প্রথম চেয়ারম্যান হিসাবে যে প্রস্তাবিত অর্গানোগ্রাম পাঠিয়েছিলাম সেখানে ১২ জন কর্মকর্তা ছিল। অথচ এখন কর্মকর্তা ২৫ জন। শুনেছি একই পদে একাধিক কর্মকর্তা রয়েছেন। নীতিমালা না থাকায় এটি হয়তো নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না বোর্ড।
জনবল নীতিমালা অনুমোদন না হওয়ার বিষয়ে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সচিব মো. এনামুল হক বলেন, ‘শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতাসহ সব খরচ বোর্ডের উপার্জিত তহবিল থেকে মেটাতে হয়। তবে যেসব শিক্ষা ক্যাডার অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে বোর্ডে সংযুক্ত হন, তারা নিজেদের মূল প্রতিষ্ঠান থেকেই বেতন-ভাতা পান।’ তিনি বলেন, ‘ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে কর্মকর্তার সংখ্যা প্রয়োজনের বেশিই রয়েছে। এসব সংযুক্তি সরাসারি মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়ায় আমাদের কিছু করার থাকে না।’
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সদ্য নিযুক্ত চেয়ারম্যান আ. জা. মা. রেজাউল করিম খান বলেন, ‘আমি কয়েক দিন হলো যোগদান করেছি। নীতিমালা কেন অনুমোদন হচ্ছে না, সেটি বিস্তারিত জানার পর বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করব। কর্মকর্তার সংখ্যা কিছুটা বেশি হলেও এটি সরাসরি মন্ত্রণালয় থেকে করা হয়। এখানে আমাদের কিছু করার সুযোগ নেই।’