ইরানের ওপর নতুন করে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের মার্কিন হুমকিকে চরম হতাশার বহিঃপ্রকাশ বলে অভিহিত করেছে তেহরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, এ ধরনের কোনো পদক্ষেপই ইরানকে নতি স্বীকার করাতে পারবে না। তিনি মন্তব্য করেন, সামরিক কৌশল ব্যর্থ হওয়ার পর ওয়াশিংটন আবারও পুরনো নিষেধাজ্ঞার পথে হাঁটছে, যা মূলত তাদের অক্ষমতারই প্রতিফলন।
দীর্ঘদিনের চলমান সংকট ও আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যেও ইরান তার অবস্থানে অনড় রয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে তেহরান বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সহায়তাকারী দেশগুলোর ওপর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিলেও, বেইজিংয়ের মতো দেশগুলো এখন পর্যন্ত কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতি নিরসনে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির তেহরান সফর করছেন। সংকট সমাধানে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের এই উদ্যোগকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন ইরান একটি চুক্তিতে আগ্রহী, তবে তেহরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, সম্মানজনক ও ন্যায্য সমাধান ছাড়া কোনো আলোচনা সম্ভব নয় এবং পূর্বের সব প্রচেষ্টার মতো মার্কিন নতুন নিষেধাজ্ঞাও ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে।