দেশের তরুণ কর্মীদের জন্য সর্বজনীন কোনো একক নীতি গ্রহণ না করে খাতভিত্তিক ও এলাকাভিত্তিক সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ ও সানেমের এক যৌথ গবেষণায় উঠে এসেছে যে, তরুণদের চাহিদা এবং সমস্যার ধরন বিভিন্ন পেশায় ভিন্ন ভিন্ন। তাদের উন্নতির জন্য নগদ অর্থ সহায়তা, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং চাকরির খোঁজে সহায়তার মতো বিষয়গুলো বেশি কার্যকর, যেখানে ব্যবসা শুরুর মূলধন বা স্থানান্তর ভাতার প্রয়োজনীয়তা তুলনামূলক কম।
গবেষণায় দেখা গেছে, পোশাক শিল্প, কৃষি ও নির্মাণ খাতের কর্মীদের বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী তরুণরা কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। এছাড়া, নির্মাণ খাতের কর্মীদের সুরক্ষা ও মজুরি কাঠামো অত্যন্ত দুর্বল। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের কোনো জাতীয় তথ্যভাণ্ডার না থাকায় জলবায়ু সংকটজনিত প্রভাব মোকাবেলায় সঠিক সহায়তা পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ছে।
সানেম ও অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের মতে, তরুণদের দক্ষ করে তোলার ক্ষেত্রে শিল্পের বাস্তব চাহিদাকে প্রাধান্য দিতে হবে এবং নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় তরুণদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। প্রশিক্ষণের পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অনানুষ্ঠানিক শ্রমিকদের সরকারি ডেটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যাতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব হয়।