December 1, 2025, 3:24 am
Title :
‘সমুদ্রে অবৈধ ও অতিরিক্ত মৎস্য আহরণে মাছের সংস্থান কমে যাচ্ছে’ দেশের ৩৩ শতাংশ মানুষ রোগাক্রান্ত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রই ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের একমাত্র সমাধান: পোপ লিও সশস্ত্র বাহিনীর বঞ্চিত সদস্যদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে সরকার: প্রধান উপদেষ্টা বেলুচিস্তানে এফসি সদর দপ্তরে হামলা, পাল্টা হামলায় ৩ সন্ত্রাসী নিহত হঠাৎ পাল্টে গেলো বাংলালিংকের লোগো, সামাজিকমাধ্যমে চলছে আলোচনা কক্সবাজারে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভা এবং কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনার সঙ্গে এবার রেহানা-টিউলিপের রায় সোমবার খালেদা জিয়ার অসুস্থতার জন্য হাসিনা সরকার দায়ী: রাশেদ খান খালেদা জিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল, কিছুটা ভালোর দিকে: তথ্য উপদেষ্টা

ভৌতিক সিনেমা মনের চাপ কমায়

Reporter Name
  • Update Time : Monday, November 10, 2025
  • 69 Time View

আমরা সবাই ভয় পাইএটা একদম স্বাভাবিক বিষয়কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, অনেকেই ইচ্ছে করে ভয় পেতে ভালোবাসে! জম্বি, দানব, ভূত বা অদ্ভুত কোনো ছায়াভৌতিক সিনেমার ভয়ানক দৃশ্য দেখেও মানুষ এক ধরনের মানসিক শান্তি খুঁজে পায়

সম্প্রতি মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, ভীতিকর বা হরর সিনেমা বাস্তব জীবনের উদ্বেগ ও মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানী কোল্টান স্ক্রিভনার বলেন, ‘ভয়ংকর গল্প আমাদের মস্তিষ্ককে অনিশ্চয়তার সঙ্গে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে।’

তার গবেষণায় দেখা গেছে, হরর সিনেমা দেখা মানুষকে তিন দলে ভাগ করা যায়

অ্যাড্রেনালিন জাঙ্কিজ’ : যারা ভয় পেয়ে রোমাঞ্চ খোঁজেন

হোয়াইট নাকলারস’ : যারা ভয় জয়ের আনন্দ উপভোগ করেন

ডার্ক কোপার্স’ : যারা ভয়কে জীবনের বাস্তব নিরাপত্তা বোঝার উপায় মনে করেন

ডেনমার্কের এক গবেষণায়ও জানা গেছে, যারা নিয়মিত ভৌতিক সিনেমা দেখেন, তারা সংকটের সময় অন্যদের তুলনায় মানসিকভাবে বেশি শান্ত থাকেন। এমনকি কোভিড-১৯ মহামারির সময়ও তাদের সহনশীলতা ছিল বেশি।

অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মার্ক মিলার বলেন, ভয়ংকর গল্প আমাদের মস্তিষ্কের ভবিষ্যদ্বাণী করার ক্ষমতা বাড়ায়- যা অনিশ্চয় পরিস্থিতিতে শান্ত থাকতে সাহায্য করে।

নেদারল্যান্ডসে তৈরি হয়েছে ‘মাইন্ডলাইট’ নামের একটি ভিডিও গেম, যেখানে ভয়কে থেরাপির অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, এই গেম খেলা শিশুদের উদ্বেগ অনেকটাই কমে যায়।

স্ক্রিভনারের ভাষায়, ‘ভীতিকর গল্প বা সিনেমা আমাদের এক নিরাপদ পরিবেশে ভয় পাওয়ার সুযোগ দেয়। এতে আমরা নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে শিখি এবং বাস্তব জীবনের চাপ সামলানো সহজ হয়।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com