ব্যস্ত জীবন, কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনের চাপ, মানসিক ক্লান্তি, এবং পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব এখন অনেকেরই নিত্যদিনের সঙ্গী। কথায় কথায় রেগে যাওয়া বা সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগা নতুন কিছু নয়। কিন্তু আপনি
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার ওপর বিদেশযাত্রা নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এনে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্থুলতার মতো অসংক্রামক রোগ শতকরা ৮০ ভাগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। ‘রোগীর ক্ষমতায়ন : অসংক্রামক রোগব্যবস্থাপনায় টেকসই অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক সিম্পোজিয়ামে এই তথ্য ঊঠে এসেছে। এতে
বাইরে বের হলে নানা ব্যস্ততায় আমরা কী খাচ্ছি বা কী পান করছি, সেসব নিয়ে ভাববার সময় হয়ে ওঠে না অনেকেরই। অথচ আমাদের খাওয়া-দাওয়া ও পানীয়ের মধ্যেই লুকিয়ে থাকতে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকি,
আমরা অনেকেই বুঝতেই পারি না, কিডনি ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ছে। কারণ এই অঙ্গ দুটি নীরবে কাজ করে- রক্ত পরিষ্কার করে, বর্জ্য ছেঁকে শরীরকে সুস্থ রাখে। কিন্তু কিডনি ঠিকমতো কাজ
দেশের অন্তত ৩৩ শতাংশ মানুষ রোগাক্রান্ত। পুরুষের তুলনায় নারীদের মধ্যে অসুস্থতার হার বেশি। বিভিন্ন রোগের মধ্যে প্রকোপ বেশি উচ্চরক্ত চাপের। প্রতি হাজারে ৭৮ দশমিক ২৮ জন উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। রোগে
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনের ফটকে বিমর্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক। সেখানে চিকিৎসাধীন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সামনের রাস্তায় কয়েশ নেতাকর্মী ও উৎসুক জনতার ভিড়। অনেকে
৪০ বছর বয়স পেরোলে শরীরের ভেতরে ধীরে ধীরে বার্ধক্যের ইঙ্গিত দেখা দিতে শুরু করে। বাইরে থেকে শক্তিশালী দেখালেও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাওয়ায় অনিয়ম বা অতিরিক্ত চাপ সহজে সহ্য করতে পারে
কিডনি আমাদের শরীরের নীরব কর্মী। আমরা যখন ব্যস্ত জীবনে ছুটে চলি, তখন অবিরাম ছাঁকনির মতো কাজ করে শরীরের দূষিত উপাদান বের করে দেয় এই অঙ্গযুগল। কিন্তু কিডনির রোগ নিয়ে মানুষের
শীত এলেই অনেকের হাত-পা বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে আসে। ভোর বা সন্ধ্যার দিকে তো সমস্যা আরও প্রকট হয়। মফস্বল, সীমান্ত কিংবা নদীবিধৌত অঞ্চলে বসবাসকারীরা এ সময় যেন নিত্যদিনের সঙ্গী করে