July 1, 2026, 6:26 am
Title :
ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদীপারের মানুষের ছাত্রদলের ১৭ বছরের আন্দোলনের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে জুলাই অভ্যুত্থানে: রিজভী বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা স্বাধীনতার বিরোধিতার দায়ে বিএনপির ক্ষমা চাওয়া উচিত: গোলাম পরওয়ার বিসিবির বর্তমান কমিটিতে ক্রিকেট গতিশীল হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র বিতরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত আগামী ৫ দিন আবহাওয়া কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর বাজেট বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় বাধা হবে ব্যাংকিং খাত: জামায়াত এমপি জাতীয় সংসদে আইনজীবীর পোশাকে রুমিন ফারহানা, সংসদে আলোচনা মুক্তিযুদ্ধ থেকে জুলাই অভ্যুত্থানকে আলাদা করার সুযোগ নেই: আখতার হোসেন

‘কাজ করে খামু, ভিক্ষা করুম না’

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, September 17, 2025
  • 106 Time View

অভাব-অনটনের কারণে ভিক্ষা করে সংসার চালিয়েছেন বাকপ্রতিবন্ধি ও ভূমিহীন সজল আলী। তার একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। ভিক্ষা করে তাকে গ্রামের একটি মাদ্রাসায় পড়ান সজল। ভিক্ষার উপার্জন দিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়েছে তার।

বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মানিকগঞ্জ জেলা সমাজসেবা কার্যালয় থেকে তাকে পুর্নবাসন করে কর্মসংস্থানের জন্য ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা দেওয়া হয়েছে।

সজল আলী সিংগাই উপজেলার দক্ষিণ চারিগ্রাম গ্রামের উজ্জ্বল হোসেনের ছেলে। তিনি তার পরিবারসহ সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাস করেন।

সজলের বাবা উজ্জ্বল হোসেন বলেন, আমাদের জায়গা জমি নেই। আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাস করি। আমার ছেলে ও একটি মেয়ে প্রতিবন্ধি। ছেলে ভিক্ষা করে আমাদের সংসারের সহযোগিতা করছে। আমার ছেলেকে বিয়ে করিয়েছিলাম। ছেলে প্রতিবন্ধি হওয়ায় বউ চলে গেছে। সজলের ৬ বছরের একটি ছেলে রয়েছে। তাকে মাদ্রাসায় পড়াই।

তিনি বলেন, সরকার আমার ছেলেকে একটি রিকশা কিনে দিয়েছে। আমার ছেলে এখন আর ভিক্ষা করবে না। আমি বাবা হিসেবে এখন গর্ব করে বলতে পারব, আমার ছেলে এখন রিকশা চালায়।

সজল বলেন, এখন কাজ করে খামু, আমি আর ভিক্ষা করুম না। আমাকে সমাজসেবা থেকে রিকশা কিনে দিয়েছে। এখন রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করব।

জেলা সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় মোট ভিক্ষুক রয়েছে ১৪৯ জন। এরমধ্যে থেকে ৭ জন ভিক্ষুককে পুনর্বাসন করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। যেমন- সজল আলীকে রিকশা কেনা দেওয়া হয়েছে। অন্যদের মুদি দোকান করে দেওয়া হয়েছে।

জেলা সমাজসেবা উপ-পরিচালক আব্দুল বাতেন বলেন, সরকারি নির্দেশনায় ভিক্ষুকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে সিংগাইর উপজেলার ৭ জন ভিক্ষুককে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যদেরও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, সমাজে কেউ যেন অবহেলিত না থাকে সেই লক্ষে ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন এবং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া হচ্ছে। কাউকে যেন ভিক্ষাবৃত্তি করে না চলতে হয় সেই লক্ষে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তশালীদের সহযোগিতার মাধ্যমে পাশে দাঁড়ানো উচিত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com