July 3, 2026, 7:36 am
Title :
কাবা শরীফ তাওয়াফের ইতিহাস অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে এগিয়ে থেকে বিরতিতে স্পেন জুনে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ পাকিস্তানপন্থীদের মন্ত্রী-এমপি করেছে বিএনপি, ক্ষমা চাইব কেন: গোলাম পরওয়ার রাখাইনে সংঘাত, টেকনাফ সীমান্তে বিজিবির কড়াকড়ি কেপ ভার্দে ম্যাচে কীর্তির সামনে স্কালোনি উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা ও ডেল্টা অর্থনীতির জন্য ব্লু কার্বন ফাইন্যান্স জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী ফ্যাসিবাদের পৃষ্ঠপোষক ঢাবি শিক্ষকদের শাস্তি দাবিতে সাদা দলের আলটিমেটাম ফুয়াদকে বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান ছাত্রদলের মানব ইতিহাসের সর্ববৃহৎ জানাজার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান, অংশ নেবে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি মানুষ

শেষ মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করলো ইরান মৃত্যুর ২০ মিনিট আগেও খামেনির হাতে ছিলো পবিত্র কোরআন

Reporter Name
  • Update Time : Friday, March 27, 2026
  • 28 Time View

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সদ্য প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জীবিত অবস্থার শেষ ছবি প্রকাশ করেছে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম ইরনা। সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ করা ছবিটি তোলা হয় ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর কিছুক্ষণ আগে।

ইরনার তথ্য অনুযায়ী, সেদিন স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে ছবিটি তোলা হয়, আর সকাল ১০টার দিকে রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে বোমাবর্ষণ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমানবাহিনী। অর্থাৎ হামলার মাত্র ২০ মিনিট আগে এই ছবি ধারণ করা হয়।

ছবিতে দেখা যায়, একটি কক্ষে সোফায় বসে বই পড়ছেন খামেনি। তার পাশের একটি ছোট টেবিলে রাখা আছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নিহত কমান্ডার কাশেম সোলায়মানির ফ্রেমবন্দি ছবি। একই টেবিলের পাশের শেলফে আরও দুটি ছবি রয়েছে, যার একটি ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা ও ১৯৭৯ সালের পর দেশের প্রথম সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির।

ইরানি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, খামেনির হাতে থাকা বইটি ছিল পবিত্র কোরআন।

১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এর আগে তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

ইসলামি বিপ্লব-পরবর্তী ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, সর্বোচ্চ নেতা দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক খাতে ব্যাপক ক্ষমতার অধিকারী। প্রায় ৩৭ বছর এই পদে থেকে খামেনি ইরানকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এই সময়ে দেশটি পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা, গুপ্তহত্যা, যুদ্ধ এবং নানা চাপের মুখে পড়লেও তিনি দেশকে একটি শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে উত্তেজনা চলছিল। এ প্রেক্ষাপটে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে, যা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়।

এর পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং একই সময়ে ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে।

এই অভিযানের প্রথম দিনেই খামেনিসহ ইরানের সামরিক ও প্রশাসনের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা নিহত হন। মৃত্যুকালে খামেনির বয়স ছিল ৮৯ বছর।

সূত্র: জিও পলিটিক্স

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © ajkerdorpon.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com