বঙ্গোপসাগরে এলএনজি ভর্তি নতুন একটি কার্গো পৌঁছানোর পর মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জি টার্মিনাল থেকে পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। এর ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও চাহিদার তুলনায় ঘাটতি এখনো বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে গ্যাস সরবরাহ বাড়লেও তা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে আরও সময় প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পেট্রোবাংলার তথ্যমতে, দেশে দৈনিক প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা থাকলেও সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে মাত্র ২৩০ থেকে ২৩৭ কোটি ঘনফুট। আগস্ট মাসে চারটি এলএনজি কার্গো আসার কথা থাকলেও সঠিক সময়ে সেগুলো না আসায় টার্মিনালগুলো সক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করতে পারেনি। জুলাই মাসে অগ্নিকাণ্ডের ফলে এক্সিলারেট টার্মিনাল বন্ধ থাকা এবং সামিটের টার্মিনাল থেকে অতিরিক্ত সরবরাহের চাপে সংকট আরও ঘনীভূত হয়।
আগামী ২৬ বা ২৭ আগস্ট আরও একটি কার্গো আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে নিয়মিত বিরতিতে এলএনজি আমদানি ও চাহিদার বিশাল পার্থক্য বিদ্যমান থাকায় সহসাই গ্যাস সংকট পুরোপুরি কাটবে না বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন হ্রাস পাওয়ায় এলএনজি আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়লেও সময়মতো কার্গো না আসা সরবরাহ শৃঙ্খলকে বারবার ব্যাহত করছে।